Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

যে মসলায় ইফতারে ফল খেলেও বাড়বে না সুগার

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০১ পিএম

যে মসলায় ইফতারে ফল খেলেও বাড়বে না সুগার

যে মসলায় ইফতারে ফল খেলেও বাড়বে না সুগার। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ইফতারের টেবিলে ফল প্রায় অপরিহার্য একটি খাবার। সারাদিন রোজা রাখার পর তরমুজ, আপেল বা কলার মতো ফল শরীরে দ্রুত শক্তি ও সতেজতা এনে দেয়। পুষ্টিগুণের দিক থেকেও ফল অত্যন্ত সমৃদ্ধ—এতে রয়েছে আঁশ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই পুষ্টিবিদরা নিয়মিত ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন।

তবে অনেকেরই উদ্বেগ থাকে ফলের প্রাকৃতিক শর্করা নিয়ে। ফলের মধ্যে গ্লুকোজ, সুক্রোজ ও ফ্রুক্টোজ থাকায় ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা আশঙ্কা করেন যে মিষ্টি ফল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই চিন্তা আরও বেশি। কারণ রক্তে শর্করার অনিয়ম দীর্ঘমেয়াদে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আশঙ্কার কারণে ফল পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ফলের প্রাকৃতিক চিনির সঙ্গে আঁশ থাকে, যা শর্করা শোষণের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে ফলের চিনি সাধারণ মিষ্টির মতো দ্রুত রক্তে শর্করা বাড়ায় না। সঠিক পরিমাণে ও নিয়ম মেনে খেলে ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্যতালিকায়ও ফল রাখা সম্ভব।

ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে একটি সহজ কৌশল হতে পারে দারুচিনি ব্যবহার করা। ফলের ওপর সামান্য দারুচিনির গুঁড়া ছিটিয়ে খেলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

দারুচিনির উপকারিতা

স্বাদে মিষ্টি ভাব থাকলেও দারুচিনি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক উপাদান হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এতে থাকা পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। ফলে শরীর গ্লুকোজ আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়।

আপেল, নাশপাতি, কলা বা পেঁপের মতো ফলের ওপর অল্প দারুচিনি ছড়িয়ে খেলে শুধু স্বাদই বাড়ে না, ফলের গ্লাইসেমিক প্রতিক্রিয়াও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকতে পারে। এতে হঠাৎ রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমানো সম্ভব।

যেভাবে খাবেন

ফল কেটে নেওয়ার পর আধা চা-চামচের কম দারুচিনির গুঁড়া হালকা করে ছিটিয়ে খাওয়া যেতে পারে। চাইলে দইয়ের সঙ্গে ফল মিশিয়ে তার ওপর দারুচিনি যোগ করলে খাবারটি আরও সুষম হয়, কারণ এতে প্রোটিন ও আঁশের সঙ্গে মসলার উপকারিতাও যুক্ত হয়।

তবে মনে রাখা জরুরি, দারুচিনি কোনো বিকল্প চিকিৎসা নয়; এটি কেবল সহায়ক উপাদান। ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা, পরিমিত পরিমাণে ফল খাওয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম