ধূমপান ত্যাগে সবচেয়ে কার্যকর ‘ভেপ’, কিন্তু রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এক দীর্ঘমেয়াদী বৈশ্বিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগের ক্ষেত্রে নিকোটিনযুক্ত ইলেকট্রনিক সিগারেট বা ‘ভেপ’ সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, নিকোটিন প্যাচ, গাম, চকলেট বা শুধুমাত্র আচরণগত সহায়তার তুলনায় নিকোটিন সমৃদ্ধ ভেপ ব্যবহার করে ধূমপায়ীরা দ্রুত এবং সফলভাবে তামাক ছাড়তে পারছেন। এমনকি নিকোটিনবিহীন ই-সিগারেটের চেয়েও নিকোটিনযুক্ত ভেপ এক্ষেত্রে বেশি কার্যকর বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
কার্যকর হলেও রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ভেপ ধূমপান ত্যাগে সহায়তা করলেও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, একটি নিকোটিন পণ্যের বদলে অন্যটি গ্রহণ করা দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-এর মতে, সিগারেটের বদলে ভেপ ব্যবহার করা মানেই তা সম্পূর্ণ নিরাপদ—এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই।
বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি
সাধারণ সিগারেটের ধোঁয়ায় প্রায় ৭ হাজারটি বিষাক্ত পদার্থ থাকে, যার তুলনায় ই-সিগারেটে ক্ষতিকারক রাসায়নিকের পরিমাণ অনেক কম। তবুও চিকিৎসকরা মনে করেন, ই-সিগারেট বা ভেপ কোনোভাবেই পুরোপুরি নিরাপদ নয়। প্রচলিত ধূমপান যেমন ক্যান্সার, বিপাকীয় ব্যাধি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির অন্যতম কারণ, তেমনি ই-সিগারেটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়েও বিজ্ঞানীরা উদ্বিগ্ন।
বিজ্ঞানীরা বর্তমানে ই-সিগারেটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে নিবিড় গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ভেপ ব্যবহারের ফলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই ধূমপান ছাড়ার জন্য একে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করলেও এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
সূত্র: সামা টিভি

