Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

চা নিয়ে নতুন গবেষণা, উঠে এলো যেসব তথ্য

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

চা নিয়ে নতুন গবেষণা, উঠে এলো যেসব তথ্য

Advertisement

সকালের ক্লান্তি দূর করা থেকে শুরু করে সারাদিনের ছোটখাটো মানসিক চাপ—অনেকেরই একমাত্র ভরসা এক কাপ গরম চা। চা পানের অভ্যাস অনেকের ক্ষেত্রে এতটাই বেশি যে, দিনে কত কাপ চা খাওয়া হচ্ছে তার হিসাব রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে। 

তবে আপনি যদি আপনার দৈনন্দিন চা পানের পরিমাণ এবং স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব নিয়ে চিন্তিত হন, তবে নতুন একটি গবেষণার ফল আপনার উপকারে আসতে পারে।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস) ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় ‘পরিমিত’ পরিমাণে পানের পরামর্শ দেয়। তবে এই পরিমাণের হার ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। ইতোপূর্বে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের পুষ্টিবিদ ভিক্টোরিয়া টেলর জানিয়েছিলেন, দিনে ৪ থেকে ৫ কাপ চা বা কফি খাওয়াকে ‘পরিমিত’ বলা যায়, যা বেশিরভাগ মানুষের জন্য নিরাপদ। 

তবে সাম্প্রতিক একটি গবেষণার পর্যালোচনা বলছে, এর চেয়ে কিছুটা কম, অর্থাৎ দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ চা পান করা স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে আদর্শ বা ‘সুইট স্পট’। 

জেনারেল প্র্যাকটিশনার ড. নিসা আসলামের এই গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ৩ থেকে ৪ কাপ ব্ল্যাক টি বা রং চা (দুধসহ বা দুধ ছাড়া) শরীরে প্রদাহরোধী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যাদের শরীরে প্রদাহের মাত্রা বেশি, তাদের ক্ষেত্রে এটি দারুণ কাজ করে।

ড. আসলামের মতে, এই ফলাফলটি অ্যাজমা (হাঁপানি), অস্টিওআর্থ্রাইটিস, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের মতো জটিলতা নিয়ন্ত্রণে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, কারণ এই রোগগুলোর পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ। 

তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘আমাদের এই গবেষণা কোনোভাবেই এটি বলছে না যে চা খাওয়া ওষুধের বিকল্প হতে পারে। তবে এটি এই প্রমাণকে আরও জোরালো করে যে, প্রতিদিন আমরা যে চা পান করি, তা শরীরের প্রদাহজনিত স্ট্রেস বা চাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।’ 

চায়ের ভেতরে আসলে কী থাকে? 

গবেষকদের মতে, রঙ চা-তে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া বেশ কিছু বায়ো-অ্যাক্টিভ যৌগ বা উদ্ভিজ্জ রাসায়নিক থাকে। এর মধ্যে রয়েছে পলিফেনল (যেমন: ফ্লাভান-৩-ওলস, থিয়াফ্লাভিন, ক্যাটেচিন এবং কুয়েরসেটিন)। এই উপাদানগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং প্রদাহজনিত পথের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। 

এই গবেষণার ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলেও গবেষকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদে এর কার্যকারিতা পুরোপুরি বুঝতে আরও বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া এই তথ্যকে একেবারে চূড়ান্ত সত্য না ধরে কিছুটা সচেতনতার সঙ্গে গ্রহণ করাই শ্রেয়। 

সূত্র: মেট্রো ডটকম 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম