Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? জানুন দূর করার ঘরোয়া উপায়

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০১:০০ পিএম

কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? জানুন দূর করার ঘরোয়া উপায়

Advertisement

কোষ্ঠকাঠিন্য এখন খুব সাধারণ একটি সমস্যা, যা অনিয়মিত খাবার, কম পানি পান, ব্যস্ত জীবনযাপন এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে দেখা দেয়। এতে শারীরিক অস্বস্তির পাশাপাশি মানসিক চাপও বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। নিচে কিছু সহজ ও বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত ঘরোয়া উপায় তুলে ধরা হলো—

পর্যাপ্ত পানি পান

শরীরে পানির অভাব হলে মল শক্ত হয়ে যায়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করলে অন্ত্রের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমে।

ফাইবারযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া

শাকসবজি, ফল, ডাল ও শস্যজাতীয় খাবারের ফাইবার মল নরম করে এবং সহজে বের হতে সাহায্য করে। বিশেষ করে সলিউবল ফাইবার বেশি কার্যকর।

নিয়মিত ব্যায়াম

হাঁটা, সাইক্লিং বা হালকা ব্যায়াম অন্ত্রের নড়াচড়া বাড়ায়, ফলে মলত্যাগ সহজ হয়।

কফি পান

ক্যাফেইন অন্ত্রকে উদ্দীপিত করে, যা অনেকের ক্ষেত্রে দ্রুত মলত্যাগে সহায়তা করে।

প্রোবায়োটিক খাবার

দই, কিমচি বা সাউয়ারক্রাউটের মতো খাবার অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং হজমে সাহায্য করে।

ল্যাক্সেটিভ ওষুধ

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্টুল সফটনার বা ওসমোটিক ল্যাক্সেটিভ ব্যবহার করা যেতে পারে।

গ্লুকোম্যানান বা শিরাটাকি নুডলস

এটি এক ধরনের সলিউবল ফাইবার, যা অন্ত্রের কার্যক্রম উন্নত করে এবং মল নরম রাখে।

প্রিবায়োটিক খাবার

রসুন, পেঁয়াজ, কলা ও বিভিন্ন সবজি অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়াতে সাহায্য করে।

ম্যাগনেসিয়াম সাইট্রেট

এটি অন্ত্রে পানি টেনে এনে মল নরম করে এবং দ্রুত মলত্যাগে সহায়তা করে।

প্রুনস (শুকনো বরই)

প্রুনসে থাকা সরবিটল প্রাকৃতিক ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কাজ করে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে কার্যকর।

দুধজাত খাবার এড়িয়ে চলা

ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স থাকলে দুধজাত খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়াতে পারে, তাই সমস্যা হলে এগুলো কমানো উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দীর্ঘদিন অবহেলা করলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই পানি পান, ফাইবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সঠিক জীবনযাত্রার মাধ্যমে এটি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। প্রয়োজন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ সবার শরীর ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম