Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

কোষ্ঠকাঠিন্যের কষ্টসহ নির্মূল হবে অর্শ, জেনে নিন মুক্তির উপায়

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম

কোষ্ঠকাঠিন্যের কষ্টসহ নির্মূল হবে অর্শ, জেনে নিন মুক্তির উপায়

Advertisement

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া খুবই কঠিন। নাছোড়বান্দা এ রোগটি থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে চাইলে, শুধু ওষুধ খেয়ে বা খাবার মেপে খেলে হবে না। তার জন্য প্রয়োজন শারীরিক কসরত। যোগাসনের সঠিক পদ্ধতিতেই এ সমস্যার সুরাহা হতে পারে।

আর অর্শ বা পাইলস হলে মলত্যাগের সময় ব্যথাহীন রক্তপাত, চুলকানি বা মলদ্বারে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। তবে অর্শ মানেই মলদ্বারের সব রোগ নয়। এর ঘরোয়া চিকিৎসা ও সতর্কতা মেনে চলা এবং লক্ষণ গুরুতর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কোষ্ঠকাঠিন্যের কষ্ট আর অর্শ যার হয়েছে, তিনিই জানেন কতটা ভোগান্তি। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে খাবার মেপে খেতে হয়, তেলমসলা দেওয়া খাবার একেবারে ছেঁটে ফেলতে হয়। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যত বেশি খাওয়া যায়, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া ততই সহজ হয়। সেই সঙ্গে বেশি করে পানি খাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। 

তবে ওষুধ খেয়ে হোক কিংবা ঘরোয়া টোটকা মেনে চলা— কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া খুবই কঠিন। সেই সঙ্গে অর্শের সমস্যা দেখা দিলে তা আরও যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে। শুধু ওষুধ খেয়ে এ সমস্যার সমাধান হয় না। কারণ এর জন্য প্রয়োজন যোগাসনের সঠিক পদ্ধতি।

‘নুজ পোজ’ অষ্টাঙ্গ যোগের এমন এক পদ্ধতি, যা নিয়মিত অভ্যাস করলে কোষ্ঠকাঠিন্য তো বটেই, গ্যাস-অম্বলের সমস্যাও নির্মূল হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে করবেন—

প্রথমে ম্যাটের ওপর হাঁটু মুড়ে বসুন। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এরপর বাঁ হাতের বাহুমূল নিয়ে যান ডান হাঁটুর কাছাকাছি। এমন ভাবে রাখতে হবে যেন হাতের সঙ্গে হাঁটু আটকে থাকে। সেই ভঙ্গিতে থেকেই শরীরের উপরিভাগ মোচড় দিয়ে বাঁদিকে ঘোরাতে হবে। ডান হাতটি কোমরের পেছন দিয়ে ঘুরিয়ে বাঁ হাতের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এবার দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে রাখতে পারলে ভালো হয়।

এ অবস্থান ধরে রাখার সময়ে মাটি থেকে গোড়ালি ধীরে ধীরে তোলার চেষ্টা করতে হবে। অর্থাৎ পায়ের আঙুলের ওপর গোটা শরীরের ভার রাখতে হবে। এ অবস্থানে থাকুন ৩০ সেকেন্ড। তারপর আবার প্রথম অবস্থানে ফিরে আসুন। 

এ যোগাসনে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করবে। সেই সঙ্গে অর্শের সমস্যা থাকলে তা দূর হবে। শুধু ঘাড়-কাঁধ-পিঠ নয়; এ যোগাসন অভ্যাসে সারা শরীরের পেশিই সক্রিয় হবে।

সেই সঙ্গে পেটের মেদ কমবে এবং অতিরিক্ত ওজন ঝরবে। আর পিঠ-কোমরের ব্যথা থাকলে তা কমে যাবে। এ ছাড়া গ্যাস-অম্বল, অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা কমে যাবে।

তবে হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে— এমন ব্যক্তি এ যোগাসন করতে পারবেন না। এমনকি যার হার্নিয়ার সমস্যা রয়েছে, তিনিও এটি করতে পারবেন না। এতে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম