Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

কাঁঠাল বীজের যত পুষ্টিগুণ

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম

কাঁঠাল বীজের যত পুষ্টিগুণ

ফাইল ছবি

Advertisement

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিনের গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ড্রাই ফ্রুট ও বীজ যুক্ত করছেন। পুষ্টিবিদদের পরামর্শে আমন্ড, কাজু, চিনেবাদামের পাশাপাশি সূর্যমুখী ও কুমড়োর বীজও জায়গা করে নিচ্ছে সুপারফুডের তালিকায়।

তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, পুষ্টিগুণে ভরপুর এমন একটি বীজ আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে, যার প্রকৃত মূল্য অনেকেই জানেন না। প্রতিদিনের রান্নাঘরে সহজলভ্য এ বীজটি অসাবধানতাবশত কিংবা অজ্ঞতার কারণে অনেক সময়ই ফেলে দেওয়া হয়। অথচ এতে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা পুষ্টি উপাদান, যা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গরমকালে আম, লিচু, তরমুজের মতোই ফলের বাজারে দেখতে পাওয়া যায় কাঁঠালও। অনেকেই এ ফলের তীব্র গন্ধে অস্বস্তি পান, খাওয়ার তো প্রশ্নই উঠছে না! তবে অনেকে আবার গন্ধের জন্যই ভালোবাসেন কাঁঠাল। এ ফলের রসে ভরা শাঁসের সুস্বাদ এড়ানো যায় না। কাঁঠালের প্রতিটি কোয়ায়, হলদে শাঁসের ভেতর থাকে বড়সড় শক্ত বীজ (jackfruit seeds)। অনেকেই এ বীজ ফেলে দেন। কোনো কোনো বাড়িতে যদিও তা তরকারিতে খাওয়ার চল থাকে।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, স্বাস্থ্যগুণে অতুলনীয় কাঁঠালের বীজ। এতে রয়েছে ভিটামিন বি-ওয়ান ও বি-টু, ফাইবার, প্রোটিন এবং স্টার্চ। প্যাকেটজাত প্রোটিন বার কোথায় লাগে এর সামনে! গরমকালে খাবারের তালিকায় কাঁঠালের বীজ রাখা গেলে, অতি উত্তম! এতে পেশির গঠন মজবুত হয়। শরীর সচল হয় ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। ফাইবার থাকায়, হজমে সুবিধা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের ভয় থাকে না।

তাছাড়া, অনেকেরই অভ্যাস থাকে দুইবেলার ভারি খাবারের ফাঁকে, হালকা স্ন্যাক্স মুখে চালান করা। কাঁঠালের বীজের মতো প্রাকৃতিক স্ন্যাক্স সহজে মেলে না বাজারে! অল্পতেই পেটও ভরে যায়, ফলে বেশি খাওয়ার ইচ্ছে কমে। তাই মেদ ঝরানোর চেষ্টা করছেন যারা, তারাও খেতে পারেন এ সুপারফুড। তাছাড়া, ‘গুড ব্যাকটেরিয়া’-ও রয়েছে কাঁঠালের বীজে, যা পেটের ভেতর হজমজনিত সমস্যার সমাধান করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং মেটাবলিজমে সাহায্য করে।

কীভাবে খাওয়া যায় কাঁঠালের বীজ?

# ভালোমতন সেদ্ধ করে, নুন-গোলমরিচ ছড়িয়ে খাওয়া যায়।

# শুকিয়ে, পাতলা ফালি করে কেটে শুকনো খোলায় রোস্ট করা যায়। আলুর চিপস অথবা মাখানার মতো শুকনো স্ন্যাক্স হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।

# আলু ও কুমড়োর তরকারিতে দেওয়া যায়। মুখে পড়লে দিব্যি খেতে লাগে।

# বাড়িতে কাঁঠাল আনা হলে, শাঁসের মধ্যে থেকে বীজ বের করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে প্রথমেই। ঠিকমতো না শুকালে, বা ভিজাভাব রয়ে গেলে, পচন ধরতে পারে। অনেক সময় বাজারে আবার তা আলাদা ভাবেও কিনতে পাওয়া যায়।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম