Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

খালি পেটে লিচু খেলে শরীরে যা ঘটে

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:০০ পিএম

খালি পেটে লিচু খেলে শরীরে যা ঘটে

সংগৃহীত ছবি

Advertisement

চলছে লিচুর মৌসুম। জ্যৈষ্ঠের শেষে বাজার ভরে গেছে লিচুতে। পাতাভর্তি— এর মাঝেই উঁকি দিচ্ছে লাল টুকটুকে লিচু। রসে টইটম্বুর। এই গরমে লিচুর উপকারিতা গুণে শেষ করা যাবে না। কিন্তু খালি পেটে লিচু খাওয়া কতটা বিপজ্জনক, জানেন কি? খালি পেটে লিচু খেলে আপনি বিপদে পড়তে পারেন। 

কারণ লিচু পুষ্টিকর হলেও এতে টক্সিন রয়েছে। লিচু খাওয়ার সঠিক উপায় না জানলে বমি, ডায়ারিয়া, মাথা ঘোরা— এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। একই ঘটনা ঘটতে পারে যদি লিচু ঠিকমতো পরিষ্কার না করে খান।

খালি পেটে লিচু খেলে চরম বিপজ্জনক ঘটনা ঘটতে পারে। কারণ লিচুতে হাইপোগ্লাইসিন এ এবং মিথিলিন সাইক্লোপ্রোপাইল-গ্লাইসিন (এমসিপিজি) নামক কিছু বিষাক্ত উপাদান থাকে। বিশেষত কাঁচা বা অপরিপক্ব লিচুতে এমসিপিজির মাত্রা অনেক বেশি থাকে। এগুলো লিভারে গ্লুকোজ তৈরি হতে দেয় না। তাই খালি পেটে লিচু খেলে হঠাৎ করে ব্লাড সুগার লেভেল কমে যায়। এ অবস্থাকে ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’ বলে। যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভোগে, তাদের ক্ষেত্রে এ অবস্থা আরও মারাত্মক হতে পারে। অনেক সময়ে এই বিষাক্ত পদার্থগুলো মস্তিষ্কে প্রদাহ তৈরি করে থাকে।

সঠিক নিয়মে লিচু খাওয়া উচিত। কারণ লিচু পুষ্টিকর ফল। এতে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং এনার্জি জোগায়। কাজেই এ ফল না খাওয়ারও কোনো কারণ নেই। কিন্তু লিচু খাওয়ার সময়ে কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত।

প্রথমত লিচু ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে খাওয়া উচিত। খালি পেটে লিচু খাওয়া চলবে না। আর একসঙ্গে অনেক পরিমাণ লিচু খাবেন না। দিনে ৭-৮টির বেশি লিচু না খাওয়াই ভালো। কারণ লিভারের সমস্যা থাকলে বা অপুষ্টিজনিত রোগে ভুগলে কিংবা ডায়াবেটিস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে লিচু খাওয়া উচিত।

এ বিষয়ে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট অভিনন্দন মিশ্র বলেছেন, ১৫ বছরের কম বয়সি শিশু অপুষ্টিজনিত রোগে ভুগলে খালি পেটে লিচু খাওয়া ঠিক নয়। এই ফল লিভারে ফ্যাটি অ্যাসিড অক্সিডেশন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর লিচু খেলে রক্তে শর্করা কমে গিয়ে দুর্বলতা, বমি, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এ অবস্থা এনসেফলাইটিস বা ব্রেন ফিভারের অন্যতম কারণ।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম