Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে যেসব সতর্কতা মেনে চলা উচিত

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে যেসব সতর্কতা মেনে চলা উচিত

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

সারাদেশে গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ থাকতে এবং পানিশূন্যতা ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে শরীর হাইড্রেটেড রাখা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। তাই এই সময়ে দ্রুত ও সঠিকভাবে শরীরের তরলের ঘাটতি পূরণ করা আবশ্যক। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। তবে যারা দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকেন বা কায়িক পরিশ্রমের কাজ করেন, তাদের আরও বেশি পরিমাণে পানি পান করতে হবে। 

একবারে প্রচুর পরিমাণে পানি না খেয়ে, সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে বিরতি দিয়ে পানি পানের অভ্যাস করা উচিত।

ফলমূল ও প্রাকৃতিক পানীয়ের ভূমিকা 

দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পানি-সমৃদ্ধ ফল ও সবজি যেমন—তরমুজ, শসা, কমলা এবং স্ট্রবেরি রাখা উচিত। এগুলো কেবল শরীরের পানির ঘাটতিই পূরণ করে না, বরং এতে থাকা ভিটামিন ও খনিজ উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং গরমের ক্লান্তি দূর করে।

লবণের ঘাটতি মেটাতে এক গ্লাস পানিতে সামান্য লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট ড্রিংকস তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া টক দই এবং মাঠা বা ঘোলের মতো পানীয় সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের চমৎকার উৎস হিসেবে কাজ করে। 

যা বর্জন করা জরুরি 

তীব্র গরমের সময়ে চা বা কফির মতো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলো শরীর থেকে তরল বের করে দিয়ে পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দেয়। এর পরিবর্তে তাজা ফলের রস বা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানীয় পানের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। 

যেসব ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি 

পোশাক: গরমের দিনে হালকা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরা উচিত। এটি অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কমায় এবং শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

দুপুরের রোদ এড়ানো: দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে সরাসরি সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা এবং যথাসম্ভব ছায়াময় বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে থাকা নিরাপদ।

পানিশূন্যতার লক্ষণ ও করণীয় 

তীব্র তৃষ্ণা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া—এগুলো হলো পানিশূন্যতার প্রধান লক্ষণ। শরীরে এই ধরনের কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে পানি ও তরল জাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। লক্ষণ গুরুতর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। 

সূত্র: সামা টিভি 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম