Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

খালি পেটে ব্ল্যাক কফি স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ?

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ পিএম

খালি পেটে ব্ল্যাক কফি স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ?

Advertisement

সকালে ঘুম থেকে উঠেই অনেকের দিনের শুরু হয় এক কাপ ব্ল্যাক কফি দিয়ে। তবে খালি পেটে ব্ল্যাক কফি পান করলে উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মানসিক চাপ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, খালি পেটে ক্যাফেইন দ্রুত রক্তে মিশে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রকে অতিরিক্ত উদ্দীপ্ত করে, যা বিভিন্ন অস্বস্তিকর শারীরিক ও মানসিক উপসর্গের কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, খাবার ছাড়া কফি পান করলে ক্যাফেইন খুব দ্রুত রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে। এতে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, হাত কাঁপা, অস্থিরতা এবং উদ্বেগের অনুভূতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের শরীর ক্যাফেইনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে এসব সমস্যা আরও তীব্র হতে পারে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য, ঘুম থেকে ওঠার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে শরীরে স্বাভাবিকভাবেই কর্টিসল বা ‘স্ট্রেস হরমোন’-এর মাত্রা বেশি থাকে। এ সময় ব্ল্যাক কফি পান করলে কর্টিসলের প্রভাব আরও বাড়তে পারে, ফলে উদ্বেগ ও মানসিক চাপের অনুভূতি তীব্র হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, খালি পেটে কোনো খাবার না থাকায় ক্যাফেইনের শোষণ ধীর করার মতো প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি বা জটিল শর্করা অনুপস্থিত থাকে। ফলে ক্যাফেইন দ্রুত মস্তিষ্কে পৌঁছে এমন রাসায়নিক পদার্থের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, যা শরীরকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। এতে একদিকে সতর্কতা বাড়লেও অন্যদিকে অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ কারণে কফি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং সকালের নাশতার পর অথবা অন্তত হালকা কিছু খাবার খেয়ে কফি পান করলে ক্যাফেইনের শোষণ তুলনামূলক ধীরে হয় এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমে আসে।

বিশেষ করে যেসব ব্যক্তি আগে থেকেই উদ্বেগজনিত সমস্যা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দীর্ঘমেয়াদি দুশ্চিন্তায় ভুগছেন, তাদের খালি পেটে ব্ল্যাক কফি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

তারা আরও বলেন, এসব তথ্য সাধারণ স্বাস্থ্যসচেতনতার জন্য দেওয়া হয়েছে। কারও যদি দীর্ঘদিন উদ্বেগ, অস্থিরতা বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে, তাহলে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অবশ্যই একজন নিবন্ধিত চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র: সামা টিভি

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম