Logo
Logo
×
   

লাইফ স্টাইল

ব্যস্ততার মধ্যে ব্যায়ামের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবেন যেভাবে

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:১০ এএম

ব্যস্ততার মধ্যে ব্যায়ামের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবেন যেভাবে

ফাইল ছবি

ফিটনেসে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে নিয়মিত ব্যায়াম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কাজ, পরিবার ও অন্যান্য দায়িত্বে ব্যস্ত জীবনে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস ধরে রাখা অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো তুলনামূলক ফাঁকা দিনে হয়তো ব্যায়ামের জন্য সময় বের করা সম্ভব হয়, কিন্তু এরপর কাজের চাপ বা পারিবারিক ব্যস্ততায় টানা কয়েক দিন শরীরচর্চা করা হয়ে ওঠে না। এতে তৈরি হয় অনিয়মের চক্র।

ফিটনেস কোচরা মনে করেন, ব্যস্ততার মধ্যেও ব্যায়ামে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে প্রয়োজন মূলত মানসিকতার পরিবর্তন। সাধারণ মানুষের জীবনে ব্যায়ামের জন্য আলাদা সময় বের করা সত্যিই কঠিন। কোচরা হয়তো সপ্তাহে তিন থেকে চার ঘণ্টা ব্যায়ামের পরামর্শ দেন, কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই সময় আসবে কোথা থেকে? কারণ বেশির ভাগ মানুষ এমনিতেই ব্যস্ত।

ব্যস্ত জীবনে সময় কোথায়?

ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই মানুষের সামনে নানা দায়িত্ব অপেক্ষা করে থাকে। ঘরের কাজ, সন্তানদের দেখাশোনা, সামাজিক যোগাযোগ, প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ সময় স্ক্রল করা—সবকিছুর সঙ্গে যোগ হয় চাকরি ও যাতায়াতের সময়।

দিনের এসব কাজ শেষ করতে করতে শরীর ও মন দুটোই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফলে দিনের শেষে ব্যায়াম করার মতো শক্তি বা আগ্রহ কোনোটিই অবশিষ্ট থাকে না। 

তারা বলেন, সব দায়িত্ব শেষ করার পর কারও হাতে ব্যায়ামের জন্য একেবারেই সময় না থাকলে বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেন।

সমাধান অগ্রাধিকারে

তবে নিয়মিত ব্যায়াম করতে চাইলে ব্যায়ামকে ‘সময় পেলে করব’—এমন একটি কাজ হিসেবে দেখা বন্ধ করতে হবে। বরং এটিকে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কাজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তাদের মতে, মানসিকতার এই পরিবর্তনই সমস্যার সমাধান করতে পারে। ব্যায়ামকে অন্য সব কাজ শেষ করার পরের কাজ হিসেবে না দেখে, প্রতিদিন অবশ্যই করতে হবে—এমন একটি অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

ব্যায়ামকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দুটি উপায় রয়েছে বলে জানান তারা। প্রথমত, বর্তমান রুটিনের কোনো কাজ বাদ না দিয়ে ব্যায়ামের জন্য আলাদা সময় বের করা। তবে এতে জীবনের ব্যস্ততা আরও বাড়তে পারে।

 দ্বিতীয় এবং তুলনামূলক বাস্তবসম্মত উপায় হলো—নিজের দৈনন্দিন কাজগুলোর অগ্রাধিকার নতুন করে নির্ধারণ করা এবং অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজের সময় কমিয়ে সেখানে ব্যায়াম যুক্ত করা।

কোন কাজটি বাদ দেওয়া হবে, তা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কমানো, আবার কারও ক্ষেত্রে অন্য কোনো কম গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময় কাটছাঁট করাই হতে পারে সমাধান।

ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যায়ামকে অগ্রাধিকারের তালিকায় ওপরে তুলতে পারলে সময় বের করা সম্ভব হবে। তখন বোঝা যাবে, ব্যায়ামের জন্য জায়গা তৈরি করতে জীবনের অন্য কোনো কাজকে কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া যায়। এভাবেই নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস আরও সহজে ধরে রাখা সম্ভব।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .