Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

সর্দি-কাশি নাকি নিউমোনিয়া? লক্ষণ ও ঝুঁকি চেনার উপায়

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪ পিএম

সর্দি-কাশি নাকি নিউমোনিয়া? লক্ষণ ও ঝুঁকি চেনার উপায়

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ঋতু বদলের এই সময়ে অনেকেরই ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি ও কাশি দেখা দিচ্ছে। তবে জীবাণুর নানা ধরন ও প্রাদুর্ভাব বাড়ায় সাধারণ সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা নাকি নিউমোনিয়ার সংক্রমণ হয়েছে— তা বোঝা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে জ্বরের সঙ্গে কাশির প্রকোপ বাড়লে সাধারণ মানুষ প্রায়ই বিভ্রান্তিতে পড়েন।

ফুসফুসের এই জটিল সংক্রমণ মূলত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস কিংবা ছত্রাকের আক্রমণে হয়। এর মধ্যে স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনি নামক ব্যাকটেরিয়া নিউমোনিয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

নিউমোনিয়া শুরুতে সাধারণ ঠান্ডা লাগার মতো মনে হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লক্ষণগুলো তীব্র হতে থাকে—

  • জ্বর ও কাশি: সাধারণ চিকিৎসার পরও জ্বর সহজে কমতে চায় না এবং কাশির তীব্রতা দিন দিন বাড়তে থাকে।
  • শ্বাসকষ্ট: ফুসফুসে সংক্রমণ বাড়ার সাথে সাথে রোগীর শ্বাস নিতে কষ্ট অনুভব হতে পারে।
  • বুকে ব্যথার বিশেষ ধরন: নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে ব্যথা তীব্র হয়, যা মূলত ফুসফুসের প্রদাহের (Inflammation) কারণে ঘটে।
  • অন্যান্য শারীরিক প্রতিক্রিয়া: আক্রান্ত ব্যক্তি মারাত্মক দুর্বলতা, মাথাব্যথা, খাবারের প্রতি অনীহা ও বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন।

সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে যারা

যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল, তারা সহজেই এই সংক্রমণে আক্রান্ত হতে পারেন—

  • শিশু ও প্রবীণ: শিশু এবং প্রবীণদের শারীরিক প্রতিরোধব্যবস্থা সংবেদনশীল হওয়ায় তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
  • দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি: ডায়াবেটিস, কিডনির জটিলতা, বাতের রোগ কিংবা এইচআইভি (HIV) রোগীদের নিউমোনিয়া হলে শারারিক জটিলতা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসা পরামর্শ

শুধুমাত্র বাহ্যিক লক্ষণ দেখে সব সময় নিউমোনিয়া শতভাগ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। চিকিৎসকরা রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে থাকেন—

  • বুকের এক্স-রে (Chest X-ray): ফুসফুসের সংক্রমণের স্পষ্ট ছবি পেতে প্রাথমিকভাবে বুকের এক্স-রে করানো হয়।
  • অন্যান্য ইমেজিং বা পরীক্ষা: প্রয়োজনভেদে চিকিৎসক ফুসফুস ও শরীরের ভেতরের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ পেতে সিটি স্ক্যান বা অন্যান্য প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।

জ্বর-কাশির সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, গভীর শ্বাসে বুকে ব্যথা বা শারীরিক লক্ষণ ক্রমশ খারাপের দিকে গেলে ঘরে বসে নিজে থেকে রোগ নির্ণয় না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম