ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
যেকোনো সুস্বাদু রান্নায় আদা বাটা বা কুচির ব্যবহার খাবারের স্বাদ ও সুবাস বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। কিন্তু রান্নার প্রস্তুতির সময় আদার খোসা ছাড়ানো অনেকের কাছেই এক বিরক্তিকর ও ঝামেলার কাজ। আদার অসমান ও খাঁজকাটা আকৃতির কারণে ছুরি বা সাধারণ পিলার ব্যবহার করলে খোসার সাথে ভেতরের মসলার একটি বড় অংশও অপচয় হয়ে যায়। তবে ঘরোয়া কিছু সহজ কৌশল জানা থাকলে খুব কম পরিশ্রমে এবং আদার অপচয় না করে দ্রুত খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।
১. চামচের জাদুকরী ব্যবহার
আদার খোসা ছাড়ানোর সবচেয়ে সহজ ও কার্যকরী উপায় হলো স্টিলের চামচ ব্যবহার করা।
পদ্ধতি: এক হাতে আদা শক্ত করে ধরে অন্য হাতে স্টিলের চামচের উল্টো দিক দিয়ে আদার গায়ে হালকা চাপ দিয়ে ঘষুন।
উপকারিতা: আদার অসমান খাঁজ ও বাঁকানো জায়গাগুলোর পাতলা খোসা সহজেই উঠে আসবে, কিন্তু ভেতরের মূল আদা একদম অক্ষত থাকবে। এতে ছুরির মতো অতিরিক্ত আদা কেটে যাওয়ার ভয় থাকে না।
২. ছোট টুকরো করে ছাড়ানো
আদার আকৃতি সাধারণত বড় ও আঁকাবাঁকা হওয়ায় পুরোটা একবারে পরিষ্কার করা কঠিন।
পদ্ধতি: আদার খাঁজ বা জোড়ার জায়গাগুলো থেকে কেটে ছোট ছোট টুকরো করে নিন।
উপকারিতা: ছোট টুকরো সহজে হাত দিয়ে ধরা যায় এবং চামচ দিয়ে দ্রুত পরিষ্কার করা সম্ভব হয়। এছাড়া যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই ছাড়িয়ে বাকি অংশ খোসাসহ দীর্ঘদিন ভালো রাখা যায়।
৩. ধারালো পিলারের দ্রুত সমাধান
বিপুল পরিমাণ আদার খোসা এক সাথে দ্রুত ছাড়াতে চাইলে ভেজিটেবল পিলার ব্যবহার করতে পারেন।
সতর্কতা: পিলারটি অবশ্যই ধারালো হতে হবে এবং ব্যবহারের সময় আদার ওপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া যাবে না। আলতো হাতে পিলার চালালে কম সময়ে বেশি আদা পরিষ্কার হবে। তবে অল্প পরিমাণ আদার ক্ষেত্রে চামচ ব্যবহার করাই শ্রেয়।
৪. সব রান্নায় খোসা ছাড়ানোর প্রয়োজন নেই
সব খাবারে আদার খোসা ফেলা বাধ্যতামূলক নয়।
ব্যবহার: আদা চা বানানো, মাংস ম্যারিনেট করা কিংবা গ্রেট করে রান্নায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে খোসাসহ আদা কাজে লাগানো যায়।
পূর্বশর্ত: ব্যবহারের আগে আদাটি ভালো করে ধুয়ে মাটি ও ধূলাবালি পুরোপুরি পরিষ্কার করে নিতে হবে।
রান্নাঘরের এই ছোট ছোট বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলগুলো মেনে চললে একদিকে যেমন রান্নার প্রস্তুতিতে সময় বাঁচবে, অন্যদিকে মসলার অপচয় রোধ করে পুরো আদাটাই কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
সূত্র: সিরিয়াস ইট, এনডিটিভি ফুড
