ঘন চুলের জন্য শুধু তেল-শ্যাম্পু নয়, যত্ন নিন মাথার ত্বকেরও
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৪ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঘন, ঝলমলে চুল কে না চান। তবে শুধু নিয়ম করে তেল দেওয়া কিংবা শ্যাম্পু করলেই চুলের ভালো স্বাস্থ্য নিশ্চিত হয় না। চুলের গোড়ার সুস্থতার জন্য মাথার ত্বকের যত্ন নেওয়াটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মাথার ত্বকে খুশকি, অতিরিক্ত তেল, শুষ্কতা বা কোনো ধরনের সংক্রমণ থাকলে চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে।
তাই চুলের যত্ন নিতে গিয়ে কিছু সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা দরকার—
যে ভুলগুলো না করাই ভালো
* মাথায় খুশকি থাকলেও অনেকেই রাতে প্রচুর তেল মেখে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু এতে সবসময় উপকার হয় না। বিশেষ করে মাথার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়, অতিরিক্ত তেল অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
* আবার গোসলের সময় খুব গরম পানি ব্যবহার করাও চুল ও মাথার ত্বকের জন্য ভালো নয়। অতিরিক্ত গরম পানিতে চুলের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে চুল রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
* খুশকি কমানোর জন্য ঘন ঘন শক্তিশালী শ্যাম্পু ব্যবহার করাও ঠিক নয়। নিজের মাথার ত্বকের ধরন বুঝে প্রয়োজন অনুযায়ী শ্যাম্পু বেছে নেওয়া উচিত। তেল দেওয়ার ক্ষেত্রেও পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। শ্যাম্পু করার প্রায় ৩০ মিনিট আগে হালকা হাতে তেল মালিশ করলেই যথেষ্ট হতে পারে।
মাথার ত্বকের যত্ন যেভাবে নেবেন
* মাথার ত্বক তৈলাক্ত হলে তেল ও মৃত কোষ জমে যাওয়ার প্রবণতা বেশি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে স্যালিসাইলিক অ্যাসিডযুক্ত শ্যাম্পু কিছু মানুষের জন্য উপকারী হতে পারে। অন্যদিকে চুল অতিরিক্ত শুষ্ক হলে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান, যেমন গ্লিসারিনযুক্ত শ্যাম্পু বেছে নেওয়া যেতে পারে।
* হেয়ার স্প্রে, জেল বা সিরামের মতো স্টাইলিং পণ্য অতিরিক্ত ব্যবহার না করাই ভালো। বিশেষ করে এসব পণ্য সরাসরি মাথার ত্বকে লাগানো এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে পণ্যের অবশিষ্টাংশ জমে অস্বস্তি বা জ্বালাপোড়া তৈরি হতে পারে।
* শুধু বাইরে থেকে যত্ন নিলেই হবে না। চুলের সুস্থতার জন্য শরীরের ভেতর থেকেও প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক ও বিভিন্ন ভিটামিন থাকা জরুরি। ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, শাকসবজি, বাদাম ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
চুল পড়া হঠাৎ বেড়ে গেলে, মাথার ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানি, লালচে ভাব বা ঘা হলে শুধু ঘরোয়া যত্নের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।
