Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম কী, এটি কি পুরোপুরি ভালো হয়?

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৪ এএম

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম কী, এটি কি পুরোপুরি ভালো হয়?

ছবি: এআই জেনারেটেড।

Advertisement

পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা, যা নারীদের প্রজনন, হরমোন ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, প্রজননক্ষম নারীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পিসিওএসে আক্রান্ত হয়। পিসিওএসের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. অনিয়মিত মাসিক;

২. মুখে বা শরীরে অতিরিক্ত লোম;

৩. ব্রণ;

৪. ওজন বৃদ্ধি বা ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা;

৫. গর্ভধারণে অসুবিধা।

পিসিওএসের সঙ্গে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সও অনেকের ক্ষেত্রে সম্পর্কিত। এর ফলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও হরমোনের ভারসাম্যে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

পিসিওএস কি পুরোপুরি ভালো করা যায়?

পিসিওএস একটি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি হরমোনজনিত অবস্থা। বর্তমানে এটিকে সাধারণভাবে এমন কোনো রোগ হিসেবে ধরা হয় না যেটি স্থায়ীভাবে সেরে যায়। তবে চিকিৎসা, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, ঘুম এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে এর অনেক উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়ের জন্য উপসর্গ অনেকটাই কমে যেতে পারে। তবে এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যক্তিভেদে পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে ব্যায়াম কেন গুরুত্বপূর্ণ 

ওজন তোলা বা স্ট্রেন্থ ট্রেইনিং পিসিওএস ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর অংশ হতে পারে। নিয়মিত ভারী ব্যায়াম করলে শরীর গ্লুকোজ বা রক্তের শর্করা ব্যবহারে আরও সক্রিয় হতে পারে। এর ফলে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত হতে পারে।

পিসিওএস- এ স্ট্রেন্থ ট্রেইনিয়ের সম্ভাব্য উপকারগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা

২. ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করা

৩. শরীরের গঠন ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা

৪. পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করা

৫. সামগ্রিক বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উন্নতি

৬. কিছু ক্ষেত্রে মাসিক ও ডিম্বস্ফোটন নিয়মিত হতে সহায়তা করা

খাদ্যাভ্যাস কীভাবে পিসিওএসের উপসর্গকে প্রভাবিত করে?

আপনার প্রতিদিনের খাবার রক্তে শর্করা, ওজন, ইনসুলিনের কার্যকারিতা এবং প্রদাহের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। এগুলো আবার পিসিওসের বিভিন্ন উপসর্গের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে রয়েছে—

১. আপনার শারীরিক কর্মকাণ্ড অনুযায়ী পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ

২.আঁশযুক্ত খাবার যেমন শাকসবজি, ডাল, ফল ও সম্পূর্ণ শস্য খাওয়া

৩. পর্যাপ্ত ফল ও সবজি খাওয়া

৪. বাদাম, বীজ, মাছ ও অন্যান্য উৎস থেকে স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণ

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

বিশেষ করে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেওয়া উপকারী হতে পারে। যেমন—চিনিযুক্ত পানীয়, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট— অতিরিক্ত সাদা ময়দা ও চিনি-সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম