রাতে ঘুমের সমস্যা? জানুন সমাধানের ৩ উপায়
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঘুমের সমস্যা নানা কারণে দেখা দিতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শরীর ও মনের ওপর। টানা কয়েক রাত ঠিকমতো ঘুম না হলে কাজে মনোযোগ কমে যায়, সবকিছু বিরক্তিকর মনে হতে পারে এবং দিনের বড় একটা সময় কাটতে পারে ক্লান্তি ও তন্দ্রায়। অতিরিক্ত চা-কফি পান করেও তখন সহজে সতেজতা ফিরে পাওয়া যায় না।
শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে যেমন প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম, তেমনি দিনের শুরুটা সতেজভাবে করতে দরকার ভালো ঘুম। তাই রাতে ঘুমের মান বাড়াতে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনটি সম্পর্কে জানুন—
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
ভালো ঘুমের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের বিকল্প নেই। অনিয়মিত খাবার খাওয়া, গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিনে সময় কাটানো, পর্যাপ্ত পানি না পান করা কিংবা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও ঘরের পরিবেশের দিকে নজর না দেওয়া—এসব অভ্যাস ঘুমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত ও পরিমিত খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান, পরিচ্ছন্নতা এবং ঘুমের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
দিন-রাতের ভারসাম্য বজায় রাখা
প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী দিন কর্মব্যস্ততার জন্য আর রাত বিশ্রামের জন্য। কিন্তু বর্তমান সময়ে অনেকেই রাত জেগে থাকা এবং দিনের বেলায় ঘুমানোর অভ্যাস তৈরি করেছেন। বিশেষ করে তরুণদের একটি অংশ এটিকে আধুনিক জীবনযাপনের অংশ হিসেবে দেখলেও এর ফলে শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হতে পারে।
আমাদের শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবিক ঘড়ি দিন-রাতের স্বাভাবিক চক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করে। নিয়মিতভাবে এই ছন্দের ব্যতিক্রম ঘটালে ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সম্ভব হলে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও জাগার অভ্যাস করা উচিত।
বয়স অনুযায়ী নিজের যত্ন নেওয়া
ঘুমের প্রয়োজন বয়সের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। শিশুরা সাধারণত অনেক বেশি সময় ঘুমায়, আর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ঘুমের পরিমাণ কিছুটা কমে আসে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের ঘুমের সমস্যা হলে শুধু বয়সকে দায়ী করা ঠিক নয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা বা জীবনযাপনের পরিবর্তন ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে নিজের শরীর ও দৈনন্দিন অভ্যাসের প্রতি আরও সচেতন হওয়া জরুরি। নিয়মিত জীবনযাপন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ঘুমের পরিবেশের দিকে নজর দিলে ঘুমের মান অনেকটাই উন্নত করা সম্ভব।

-6aa50389a52b0.jpg)