চিয়া সিডের বিভিন্ন সংমিশ্রণ ও সম্ভাব্য উপকারিতা
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২১ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মোটামুটি আমরা সবাই জানি কী খাওয়া উচিত এবং কী এড়িয়ে চলা উচিত। তবে কোনো খাবার কতটা খাওয়া উচিত বা অন্য কোনো খাবারের সঙ্গে খেলে তার পুষ্টিগুণে কোনো প্রভাব পড়ে কিনা তা সব সময় জানা থাকে না।
আমাদের অনেকেই বিভিন্নভাবে খাদ্যতালিকায় চিয়া সিড রাখি। কেউ এগুলো রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখেন, কেউ দুধের সঙ্গে ভিজিয়ে খান, আবার কেউ স্মুদিতে মিশিয়ে নেন। চিয়া সিড নানা উপায়ে খাওয়া গেলেও এর সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ পাওয়ার জন্য কোন খাবারের সঙ্গে এটি খাওয়া ভালো, সেটাও জানা গুরুত্বপূর্ণ।
একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে ভারতীয় চিকিৎসক ডা. সৌরভ শেঠি চিয়া সিডের বিভিন্ন সংমিশ্রণের তালিকা দিয়েছেন এবং এগুলোর সম্ভাব্য উপকারিতা ব্যাখ্যা করেছেন। চিয়া সিডে প্রচুর ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, উদ্ভিদজাত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং বেশ কিছু প্রয়োজনীয় খনিজ থাকে। এ কারণেই স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকায় চিয়া সিড বেশ জনপ্রিয়। ভিডিওতে চিকিৎসক একে একে বিভিন্ন সংমিশ্রণকে রেটিং দিয়েছেন, যাতে মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী কোনটি খাবেন তা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন—
১. প্রথমে তিনি দইয়ের সঙ্গে ভিজানো চিয়া সিডের কথা বলেন। এটি তিনি ১০/১০ দিয়েছেন। তার মতে, এখানে ফাইবারের সঙ্গে ফারমেন্টেশনের সমন্বয় হয়।
২. গ্রিক ইয়োগার্টের সঙ্গে গুঁড়ো করা চিয়া সিডকেও তিনি ১০/১০ দিয়েছেন। তার মতে, চিয়া সিড গুঁড়ো করলে বীজের ভেতরের অংশ উন্মুক্ত হয় এবং এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাট শরীরের জন্য সহজলভ্য হতে পারে। তিনি গুঁড়ো চিয়া সিড দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে একসঙ্গে ফাইবার ও প্রোটিন পাওয়া যায়। তার ভাষায়, চিয়া সিড ভিজিয়ে রাখা এবং গুঁড়ো করা দুটিই ভালো উপায়।
৩. এরপর রয়েছে রাতভর দুধ বা উদ্ভিদজাত দুধে ভিজিয়ে রাখা চিয়া পুডিং, যেটিকে তিনি ৮/১০ দিয়েছেন। তার মতে, এই সংমিশ্রণ থেকে ফাইবার ও প্রোটিন দুটিই পাওয়া যায়।
৪. এরপর তিনি চিয়া সিড ওটমিলকে আরও বেশি, অর্থাৎ ৯/১০ দিয়েছেন। চিকিৎসকের মতে, ওটস অতিরিক্ত ফাইবারের পাশাপাশি বিটা গ্লুকানও যোগ করে। তার ভাষায়, ওটস বিটা গ্লুকানের মাধ্যমে আরও বেশি ফাইবার যোগ করে।
৫. পরবর্তী সংমিশ্রণ হলো দুধ ও ফলের সঙ্গে চিয়া সিড স্মুদি, যেটি তিনি ৮/১০ দিয়েছেন। তার মতে, এতে প্রচুর ফাইবার ও পলিফেনল থাকে। পুষ্টিকর ফলের সঙ্গে চিয়া সিড খাওয়ার এটি একটি ভালো উপায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
৬. এরপর রয়েছে রাতভর পানিতে ভিজিয়ে রাখা চিয়া সিড, যেটিকে তিনি ৭/১০ দিয়েছেন। তার মতে, এটি খাদ্যতালিকায় চিয়া সিড যোগ করার একটি সহজ ও সুবিধাজনক উপায়।
৭. সবশেষে রয়েছে চিয়া সিড শুকনো অবস্থায় সরাসরি চামচে করে খাওয়া, যেটিকে তিনি মাত্র ২/১০ দিয়েছেন।
চিকিৎসক সতর্ক করে বলেছেন, চিয়া সিড দ্রুত তরল শোষণ করে ফুলে যায়। তাই শুকনো চিয়া সিড সরাসরি খাওয়ার পরিবর্তে আগে পানিতে বা অন্য কোনো তরলে ভিজিয়ে নেওয়াই ভালো।
