Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

যেসব পানীয় অজান্তেই আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম

যেসব পানীয় অজান্তেই আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে

Advertisement

তৃষ্ণা মেটাতে বা সতেজ হতে আমরা প্রতিদিন নানা ধরনের পানীয় পান করি। এর মধ্যে কিছু পানীয়কে স্বাস্থ্যকর বা উপকারী হিসেবে প্রচার করা হলেও, সেগুলোতে অতিরিক্ত চিনি, ক্যাফেইন, ক্যালোরি কিংবা কৃত্রিম উপাদান থাকতে পারে। নিয়মিত এসব পানীয় গ্রহণের ফলে অজান্তেই শরীরে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই পানীয় বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে উপাদান ও পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

ফ্রুট জুস

ফল থেকে তৈরি হওয়ায় জুসকে অনেকেই স্বাস্থ্যকর পানীয় মনে করেন। কিন্তু ফলের জুসে অনেক সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চিনি থাকে। জুস তৈরির সময় ফলের ফাইবারের বড় একটি অংশ বাদ পড়ে যায়। ফলে পুরো ফল খাওয়ার তুলনায় জুসের চিনি দ্রুত শরীরে শোষিত হতে পারে।

এতে অল্প সময়ের মধ্যে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার পাশাপাশি পরে ক্ষুধা বা ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। তাই জুসের পরিবর্তে পুরো ফল খাওয়া তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে।

এনার্জি ড্রিংক

তাৎক্ষণিক চাঙ্গা অনুভূতি দিতে এনার্জি ড্রিংকে সাধারণত যথেষ্ট পরিমাণ ক্যাফেইন ও চিনি থাকে। এসব উপাদানের কারণে সাময়িকভাবে শক্তি বাড়লেও পরে ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত বা নিয়মিত ক্যাফেইন গ্রহণের ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অস্থিরতা বা ঘুমের সমস্যার মতো বিষয় দেখা দিতে পারে। তুলনামূলক হালকা ক্যাফেইন পেতে গ্রিন টি বেছে নেওয়া যেতে পারে।

আইসড কফি

আইসড কফি নিজে খুব ক্ষতিকর না হলেও এতে অতিরিক্ত চিনি, সিরাপ, ক্রিম বা অন্যান্য টপিং যোগ করা হলে এর ক্যালোরির পরিমাণ অনেক বেড়ে যেতে পারে। নিয়মিত এ ধরনের উচ্চ-ক্যালোরির কফি পান করলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের ফলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং রক্তে শর্করার ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

তাই চিনি কম দেওয়া বা চিনি ছাড়া আইসড কফি পান করা তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে।

ফ্লেভারযুক্ত পানি

স্বাদযুক্ত বা ফ্লেভারযুক্ত পানি দেখতে স্বাস্থ্যকর মনে হলেও সব ধরনের পানীয় একই নয়। কিছু পণ্যে অতিরিক্ত চিনি, কৃত্রিম মিষ্টি বা ফ্লেভারিং উপাদান থাকতে পারে। ফলে সাধারণ পানির তুলনায় এতে অপ্রয়োজনীয় ক্যালোরি যোগ হতে পারে।

পানিতে স্বাদ আনতে চাইলে সাধারণ পানির সঙ্গে লেবু, কমলা, শসা বা পছন্দের কিছু ফল ও ভেষজ যোগ করা যেতে পারে।

মিল্কশেক

মিল্কশেক দেখতে যতটা সাধারণ পানীয় মনে হয়, অনেক ক্ষেত্রেই এতে থাকে প্রচুর চিনি, ক্যালোরি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট। বিশেষ করে ক্রিম, আইসক্রিম, সিরাপ ও বিভিন্ন টপিং যোগ করলে এর পুষ্টিগুণের তুলনায় ক্যালোরির পরিমাণ অনেক বেড়ে যেতে পারে।

নিয়মিত উচ্চ-ক্যালোরির মিল্কশেক পান করলে ওজন বাড়ার পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও চিনি যুক্ত হতে পারে। বিকল্প হিসেবে ফল ও কম চর্বিযুক্ত দই দিয়ে তৈরি স্মুদি বেছে নেওয়া যেতে পারে।

তাই কোনো পানীয়কে শুধু ‘স্বাস্থ্যকর’ বা ‘সতেজকারক’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে কি না, সেটির ওপর নির্ভর না করে লেবেলে থাকা চিনি, ক্যাফেইন, ক্যালোরি ও অন্যান্য উপাদানের পরিমাণ দেখে পানীয় নির্বাচন করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

যেসব পানীয় অজান্তেই আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে

যেসব পানীয় অজান্তেই আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে

কলার খোসা ছাড়ানোর আগে ধোয়া উচিত, কারণ জানুন

কলার খোসা ছাড়ানোর আগে ধোয়া উচিত, কারণ জানুন

ওজন কমানোর চেষ্টা থেকে মানসিক ব্যাধি, কারা আক্রান্ত হতে পারেন

ওজন কমানোর চেষ্টা থেকে মানসিক ব্যাধি, কারা আক্রান্ত হতে পারেন

শিশুকে কম বয়সে স্মার্টফোন দিলে বাড়বে যেসব ঝুঁকি

শিশুকে কম বয়সে স্মার্টফোন দিলে বাড়বে যেসব ঝুঁকি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম