টাইফয়েডের ঝুঁকি কমাতে মেনে চলুন ৫ সতর্কতা
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ। শিশুদের মধ্যে টাইফয়েডের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এ বিষয়ে অভিভাবকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস এবং বিশুদ্ধ পানি পান করা।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি খাবার, বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং দূষিত পানি পান টাইফয়েড সংক্রমণের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে ৩ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বাড়ার উদ্বেগ রয়েছে। স্কুলপড়ুয়া শিশুরা এ ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারে।
বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর টাইফয়েডে বিপুলসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হন এবং বহু মানুষের মৃত্যু হয়। দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে সালমোনেলা টাইফি নামের ব্যাকটেরিয়া। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এ রোগ গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
টাইফয়েডের লক্ষণ
টাইফয়েডের লক্ষণ সাধারণত সংক্রমণের এক থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ পেতে পারে। তবে ব্যক্তিভেদে এ সময়ের পার্থক্য হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ধীরে ধীরে জ্বর বেড়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, ক্লান্তি, পেশিতে ব্যথা, অতিরিক্ত ঘাম, শুষ্ক কাশি, ক্ষুধামন্দা, ওজন কমে যাওয়া, পেটব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য। কারও কারও পেটে ফোলাভাব ও ত্বকে ফুসকুড়িও দেখা দিতে পারে।
গুরুতর অবস্থায় অন্ত্রে রক্তক্ষরণ বা অন্ত্রে ছিদ্র হওয়ার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘস্থায়ী জ্বর বা টাইফয়েডের সন্দেহজনক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
টাইফয়েডের ঝুঁকি কমাতে ৫টি সতর্কতা
টিকাদানের পাশাপাশি কিছু সতর্কতা মেনে চললে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
১. সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধুতে হবে: শৌচাগার ব্যবহারের পর এবং খাবার তৈরি বা খাওয়ার আগে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে।
২. নিরাপদ পানি পান করুন: সম্ভব হলে সিল করা বোতলের নিরাপদ পানি পান করুন। অন্যথায় পানি অন্তত এক মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পান করুন।
৩. কাঁচা ফল ও সবজি এড়িয়ে চলুন: বিশেষ করে নিরাপদভাবে ধোয়া বা প্রস্তুত করা হয়নি—এমন কাঁচা ফল ও সবজি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৪. অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার খাবেন না: রাস্তার পাশে বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।
৫. গরম ও সদ্য রান্না করা খাবার খান: ঘরের তাপমাত্রায় দীর্ঘক্ষণ রাখা খাবার এড়িয়ে চলুন। খাবার ভালোভাবে রান্না করে গরম অবস্থায় খাওয়ার চেষ্টা করুন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

-6acbb996ee84c.jpg)