Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

ইউরিক অ্যাসিড কমান, ৭ দিনেই নিয়ন্ত্রণে আসবে গেঁটে ব্যথা

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

ইউরিক অ্যাসিড কমান, ৭ দিনেই নিয়ন্ত্রণে আসবে গেঁটে ব্যথা

Advertisement

ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমিয়ে ফেললে মাত্র সাত দিনেই আপনার গেঁটে বাতের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। যদি আপনার জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনা যায় এবং দ্রুত রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব হয়, তবেই গেঁটে ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

চলুন দ্রুত ইউরিক অ্যাসিড ও গেঁটে ব্যথা কমানোর একটি কার্যকরী গাইডলাইন জেনে নেওয়া যাক— 

১. প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন

ইউরিক অ্যাসিড কমানোর সবচেয়ে সহজ ও প্রধান উপায় হচ্ছে— প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। দিনে অন্তত তিন-চার লিটার পানি পান করুন। পানি রক্তে জমে থাকা ইউরিক অ্যাসিডকে গলিয়ে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে থাকে।

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, যদি লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়। আর মাত্র সাত দিনে ব্যথা ও যন্ত্রণা কমিয়ে ফেলা সম্ভব যদি কিছু নিয়ম মেনে চলা যায়।

প্রথমত ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়লেই ভয়ংকর বিপদ। শুধু হয়ে যায় গাঁটে গাঁটে ব্যথা। ফুলে যায় জয়েন্ট। বাড়তে থাকে প্রদাহ। পায়ের বুড়ো আঙুল, হাঁটু ও  গোড়ালির সমস্যা বাড়তে থাকে। তখন সামান্য হাঁটা-চলা করতে গেলেই দুবার থামতে হয়। প্রতিদিনের কাজকর্ম করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থা ওষুধ না খেয়ে উপায় থাকে না। কিন্তু ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন এনে। আর মাত্র সাত দিনে ব্যথা-যন্ত্রণা কমিয়ে ফেলা যায় কিছু নিয়ম মেনে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে গেঁটে ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা যায়—

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন

কিডনি থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বেরিয়ে যায়। যখন সেটা বেরোতে পারে না, তখনই ইউরিক অ্যাসিড গাঁটে জমতে থাকে। আর এই অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বের করতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। শরীরে পানির ঘাটতি হতে দেওয়া চলবে না। দিনে ৮-১২ গ্লাস পানি খাওয়া জরুরি। তবে শারীরিক অবস্থা বুঝে পানি পান করা উচিত। 

প্রোটিনের সঠিক উৎস বেছে নিন

অত্যধিক পরিমাণে পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। আর এই পিউরিন পাওয়া যায় প্রোটিনে। কিন্তু ডায়েট থেকে প্রোটিন বাদ দেওয়া যাবে না। বরং সঠিক প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মেটে, পাঁঠার মাংস, রেড মিট এবং কিছু সামুদ্রিক খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। তার বদলে ডিম, দুধ, দই, চিকেন, দানাশস্য ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন বেছে নিন।

ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল খান

ভিটামিন ‘সি’ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল খান। যেমন— আমলকী, পেয়ারা, লেবু ইত্যাদি। এতে রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বেড়ে যায়।

তবে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখুন। মদপান এড়িয়ে চলুন। কারণ অ্যালকোহল খেলে গেঁটের সমস্যা বাড়তে পারে। এ ছাড়া সফট ড্রিংকসও এড়িয়ে চলা উচিত। এ ধরনের পানীয় ইউরিক অ্যাসিডের পাশাপাশি অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও বাড়াতে পারে।

কাজে আসতে পারে ঘরোয়া টোটকা

অ্যাপল সিডার ভিনিগার, হলুদ কিংবা শসা-আদার রস ইত্যাদি খেতে পারেন। এসব প্রাকৃতিক উপাদান ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে। এ ছাড়া নিয়মিত শরীরচর্চা করাও ভীষণ জরুরি।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

বয়স বাড়লেও ব্রণ পিছু ছাড়ছে না? জানুন কারণ ও প্রতিকার

বয়স বাড়লেও ব্রণ পিছু ছাড়ছে না? জানুন কারণ ও প্রতিকার

ধূমপান না করেও ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত শর্মিলা, কেন?

ধূমপান না করেও ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত শর্মিলা, কেন?

ইউরিক অ্যাসিড কমান, ৭ দিনেই নিয়ন্ত্রণে আসবে গেঁটে ব্যথা

ইউরিক অ্যাসিড কমান, ৭ দিনেই নিয়ন্ত্রণে আসবে গেঁটে ব্যথা

পেট ভরে খেয়েও কমবে ওজন! মেদ ঝরাতে মেনে চলবেন যেসব নিয়ম

পেট ভরে খেয়েও কমবে ওজন! মেদ ঝরাতে মেনে চলবেন যেসব নিয়ম

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম