Logo
Logo
×

Advertisement

মধ্যপ্রাচ্য

জেরুজালেম পোস্টের বিশ্লেষণ

ইরান যুুদ্ধের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলবে ইসরাইলের নির্বাচনের ফল?

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ পিএম

ইরান যুুদ্ধের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলবে ইসরাইলের নির্বাচনের ফল?

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী গাদি আইজেনকোট। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ইসরাইলের নির্বাচনের ফল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হলেও তার নেতৃত্বাধীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের সঙ্গে সমঝোতা না হলে নতুন নির্বাচন এড়ানোর পথও সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে নির্বাচনের ফল কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছিলেন নেতানিয়াহু। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামিরের বিরোধিতায় তা আটকে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও নেতানিয়াহু ইরানকে উসকানিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে হামলার আশঙ্কা তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

তবে জামিরের আপত্তি ছিল ইসরাইলের নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে হামলা চালানোর বিষয়ে। অন্যদিকে, ট্রাম্প চেয়েছিলেন ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে ইরানে নতুন করে হামলা না হোক।

ট্রাম্প সম্প্রতি মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই ইরানে আবারও হামলা চালানোর বিষয়ে একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছেন। নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানাতেও ইসরাইলকে আবার এ অভিযানে যুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

নির্বাচনের আগে জনমত জরিপের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জোটগত লড়াইয়ে আইজেনকোট জয়ী হলে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারতেন। সে ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর পক্ষে ইরানে নতুন হামলার নির্দেশ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারত।

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন। আইজেনকোটের মিত্র ইসরাইল বেইতেনু দলের প্রধান আভিগদর লিবারম্যান চূড়ান্ত ভোটের ফল প্রকাশের আগে সরকার গঠন নিয়ে গুরুতর আলোচনা শুরু করতে চাইছেন না। শুক্রবার চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর তাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাকে হয় আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে, নয়তো নেতানিয়াহুর সঙ্গে সমঝোতায় যেতে হবে। অন্যথায় আবারও নির্বাচনের পথে হাঁটতে হবে।

লিবারম্যান নতুন সরকার গঠনের উদ্যোগ নিলেও জোটের অংশীদারদের মধ্যে সমঝোতা, ক্ষমতা ভাগাভাগি এবং মন্ত্রণালয় বণ্টন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা প্রয়োজন হবে। এ প্রক্রিয়ায় কয়েক দিন নয়, কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসও লেগে যেতে পারে।

ফলে শুক্রবারের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত মাত্র চার দিনের মধ্যে ইসরাইলে নতুন সরকার গঠনের সম্ভাবনা কম। এ অবস্থায় ট্রাম্প ইরানে হামলা চাইলে কিংবা বাধা না দিলে নেতানিয়াহুর সামনে সামরিক অভিযান চালানোর সুযোগ থাকতে পারে।


ইরানে হামলা নিয়ে কী ভাবছেন ইসরাইলের সেনাপ্রধান?

ইরানে হামলার বিষয়ে জামিরের অবস্থান দুটি শর্তের ওপর নির্ভরশীল। প্রথমত, ইরান যদি সরাসরি ইসরাইলে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্র যদি আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে এবং ইসরাইলকে সামরিক অভিযানে আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক উভয় ক্ষেত্রেই পূর্ণ সমর্থন দেয়।

সাধারণভাবে জামিরের অবস্থান হলো, ইরান যদি দ্রুত তার সামরিক হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে থাকে, তাহলে হামলার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বিত কোনো সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ হিসেবে ইরানকে পারমাণবিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দিতে বাধ্য করার লক্ষ্যেও হামলা চালানো যেতে পারে।

তবে তার মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরান এখনো এত দ্রুত হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেনি যে অবিলম্বে হামলা চালানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

নির্বাচনের আগে হামলার বিরোধিতা করার পেছনে জামিরের আরও দুটি কারণ ছিল। ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভোটগ্রহণ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা এবং নির্বাচনের ঠিক আগে সামরিক অভিযান চালিয়ে নেতানিয়াহু রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন, এমন অভিযোগ ওঠার ঝুঁকি।

নেতানিয়াহুর প্রধান বাধা হতে পারেন ট্রাম্প

নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ইরানে হামলার পথে আগের মতো বাধা থাকার কথা নয়। তবে জামিরও এখনই হামলা চালানোর জন্য তাড়াহুড়া করছেন না। তার মূল্যায়নে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে বড় ধরনের হুমকি তৈরির ক্ষেত্রে আগের চেয়ে খুব বেশি এগিয়ে যায়নি।

পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো উদ্বেগের বিষয় হলেও ২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলার কারণে এসব সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া কয়েক বছরের জন্য পিছিয়ে গেছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হতে পারেন ট্রাম্প।

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ইরানে নতুন হামলা চাননি। কারণ, ইরান যুদ্ধের কারণে জনমত জরিপে তিনি এবং তার দল রিপাবলিকান পার্টি চাপে পড়ছিলেন। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হলে এবং তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ না থাকায় ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক বিধিনিষেধ কমে যেতে পারে। তখন নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ইরানে আবার হামলার সিদ্ধান্তও নিতে পারেন তিনি।


কেন হামলা নাও হতে পারে?

ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টাদের বেশির ভাগই ইরানের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধে জড়ানোর বিরোধী। তাদের কেউ কেউ মনে করেন, কয়েক দিনের সামরিক অভিযান ইরানকে কিছুটা নমনীয় করতে পারে। তবে অন্যদের ধারণা, ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান যেভাবে চাপের মুখেও নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে, তাতে আরও কয়েক দিনের তীব্র হামলাও তেহরানের অবস্থান বদলাতে পারবে না।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পরও ইরান হামলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা দেখিয়েছে বলে ট্রাম্পের কিছু উপদেষ্টা সতর্ক করেছেন। ফলে ট্রাম্প কয়েক দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চাইলেও সংঘাত দীর্ঘায়িত হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে নতুন যুদ্ধের বিপুল ব্যয় বহনের ঝুঁকি না নিয়ে ট্রাম্প ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে তেহরানকে চাপে রাখাই হতে পারে তার কৌশল।

ট্রাম্প এর আগেও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ থেকে হঠাৎ যুদ্ধের হুমকি, এরপর আবার সেই হুমকি থেকে সরে এসে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের পথে ফিরেছেন। গত আগস্টে, অক্টোবরের শুরুর দিকে এবং অন্য সময়েও তার এমন অবস্থান পরিবর্তন দেখা গেছে।

এ ধরনের অসংগত অবস্থান ইরানের কাছে ট্রাম্পের সামরিক হুমকির বিশ্বাসযোগ্যতাও কমিয়ে দিয়ে থাকতে পারে।

তবে আরেকটি সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাম্পের সর্বশেষ সামরিক হুমকিতে ইরান শেষ পর্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কার্যকর সমঝোতায় রাজি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইরানে হামলার পরিকল্পনা আরও পিছিয়ে যাবে।


ইরানে হামলা নেতানিয়াহুকে রাজনৈতিক সুবিধা দিতে পারে?

ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত ইরানে হামলার পক্ষে অবস্থান নিলে সময়টি নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক হতে পারে।

ভোট গণনায় ইহুদি ভোটারদের মধ্যে সমর্থন ধরে রেখে এবং আইজেনকোট ও তার মিত্ররা যখন সরকার গঠনের জন্য জোটবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছেন, তখন ইরানকে কেন্দ্র করে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে ইসরাইলের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বদলে যেতে পারে। এতে নেতানিয়াহু যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে চান, সেগুলো সামনে আনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা তৈরি হলে আইজেনকোট ও তার মিত্রদের পক্ষে আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে কি না, সে প্রশ্নও উঠেছে।

একইভাবে, ইরানকে কেন্দ্র করে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে চলে এলে নেতানিয়াহুর সঙ্গে সমঝোতায় যেতে আইজেনকোটের শিবিরের ওপর চাপ বাড়তে পারে। এতে ৭ অক্টোবরের হামলা এবং কট্টর ডানপন্থি ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে যোগদানের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলো আড়ালে চলে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তবে এসব সম্ভাবনার অর্থ এই নয় যে ইসরাইলের ইরানে হামলা চালানোর যৌক্তিকতা নেই। তেহরান পারমাণবিক বিষয়ে নতুন করে ছাড় না দেওয়া পর্যন্ত তাকে সেই ছাড় দিতে বাধ্য করার যুক্তিতে তাত্ত্বিকভাবে হামলার পক্ষে অবস্থান নেওয়া যেতে পারে।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার অভিযানে সহায়তা করতে চায়, তাহলে অনেক ইসরাইলির মতে, সেই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। কারণ, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে ইসরাইলকে আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে।

হামলার পক্ষে যুক্তি দিতে হবে নেতানিয়াহুকে

তবে জামির যেহেতু ইরানে হামলার বিষয়ে তাড়াহুড়া করছেন না, তাই নেতানিয়াহুকে নতুন সামরিক অভিযানের পক্ষে আরও সুস্পষ্ট যুক্তি তুলে ধরতে হবে। ইরান ইসরাইলের জন্য নতুন হুমকি তৈরি করছে, এমন অস্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে হামলার সিদ্ধান্তকে ন্যায্যতা দেওয়া কঠিন হবে।

একদিকে নেতানিয়াহু যদি দাবি করেন, তিনি ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি দূর করতে সফল হয়েছেন; অন্যদিকে আবার যদি বলেন, সময় ফুরিয়ে আসছে বলে এখনই হামলা চালাতে হবে, তাহলে তার বক্তব্যে অসংগতি দেখা দিতে পারে।

জোট সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা চলার সময় যদি ইরানে তৃতীয় দফায় সংঘাত শুরু হয়; তাহলে সেই যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা কীভাবে ব্যাখ্যা করেন নেতানিয়াহু, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তার ব্যাখ্যার ওপরই সামরিক অভিযানের সাফল্য এবং ইসরাইলের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে নির্ভর করতে পারে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

এরদোগান-ট্রাম্পের ফোনালাপ, কী কথা হলো?

এরদোগান-ট্রাম্পের ফোনালাপ, কী কথা হলো?

এপস্টেইন ফাইল নিয়ে নতুন রহস্য, লাখ লাখ পৃষ্ঠা কোথায় গেল?

এপস্টেইন ফাইল নিয়ে নতুন রহস্য, লাখ লাখ পৃষ্ঠা কোথায় গেল?

ইরানে ৫০৮ জন পরমাণু বিশেষজ্ঞ পাঠাবে রাশিয়া

ইরানে ৫০৮ জন পরমাণু বিশেষজ্ঞ পাঠাবে রাশিয়া

আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর অভিযোগ নাকচ পুলিশের

আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর অভিযোগ নাকচ পুলিশের

সরকার গঠনে এগিয়ে নেতানিয়াহু, সামনে কঠিন হিসাব

সরকার গঠনে এগিয়ে নেতানিয়াহু, সামনে কঠিন হিসাব

ইসরাইলি নির্বাচনে ‘ডাবল এনভেলপ’ কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ইসরাইলি নির্বাচনে ‘ডাবল এনভেলপ’ কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আরও পড়ুন

ইরানে ৫০৮ জন পরমাণু বিশেষজ্ঞ পাঠাবে রাশিয়া

ইরানে ৫০৮ জন পরমাণু বিশেষজ্ঞ পাঠাবে রাশিয়া

আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর অভিযোগ নাকচ পুলিশের

আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর অভিযোগ নাকচ পুলিশের

সরকার গঠনে এগিয়ে নেতানিয়াহু, সামনে কঠিন হিসাব

সরকার গঠনে এগিয়ে নেতানিয়াহু, সামনে কঠিন হিসাব

ইসরাইলি নির্বাচনে ‘ডাবল এনভেলপ’ কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ইসরাইলি নির্বাচনে ‘ডাবল এনভেলপ’ কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম