Logo
Logo
×

Advertisement

মধ্যপ্রাচ্য

আল জাজিরার এক্সপ্লেইনার

ইসরাইলের নির্বাচনে ‘কিংমেকার’ হচ্ছে না আরব দলগুলো?

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৬ এএম

ইসরাইলের নির্বাচনে ‘কিংমেকার’ হচ্ছে না আরব দলগুলো?

নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন এক ইসরাইলি-আরব নারী। ছবি: এপি

Advertisement

ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো রেকর্ডসংখ্যক আসন পেতে যাচ্ছে বলে বুথফেরত জরিপে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এতে দেশটির প্রধান রাজনৈতিক জোটগুলোর পক্ষে আরব দলগুলোকে উপেক্ষা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

ইসরাইলের সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল শেক বলেন, ‘এই নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর একটি সম্ভবত আরব ভোটের উত্থান ও পুনর্জাগরণ। বার্তাটি স্পষ্ট—ইসরাইলের রাজনীতির হিসাব-নিকাশে এত বড় একটি ভোটারগোষ্ঠীকে উপেক্ষা করা যায় না।’

মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর) ভোটের বুথফেরত জরিপের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আরব দল জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম ইসরাইলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে সম্মিলিতভাবে রেকর্ড ১৭টি আসন পেতে পারে।

এখন পর্যন্ত নির্বাচনে কোনো পক্ষের স্পষ্ট জয় নিশ্চিত হয়নি। আংশিক ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট ৫৪টি এবং গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পেয়েছে।

প্রধান দুই জোটের কেউই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তাত্ত্বিকভাবে সরকার গঠনে আরব দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, আরব দলগুলো প্রকৃত অর্থে ‘কিংমেকার’ বা সরকার গঠনের ভাগ্য নির্ধারক হয়ে উঠতে পারবে না। কারণ, তাদের নির্বাচনি সাফল্যকে রাজনৈতিক ক্ষমতায় রূপান্তরের পথে একধরনের রাজনৈতিক ভেটো কাজ করছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় অবস্থিত প্যালেস্টিনিয়ান ফোরাম ফর ইসরাইলি স্টাডিজের মহাপরিচালক হোনাইদা গানাম আল জাজিরাকে বলেন, ‘এই ভেটোর শিকড় এমন একটি বর্ণবাদী কাঠামোর মধ্যে নিহিত, যেখানে আরব নাগরিকদের অবৈধ ও অবাঞ্ছিত অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।’

ইসরাইলের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল আরব নেতৃত্বাধীন তালিকার সঙ্গে সরকার গঠনে অনাগ্রহী—এমন বাস্তবতার দিকেই ইঙ্গিত করেন তিনি।

নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট—দুজনই অভিন্ন মূল্যবোধের অভাবের কথা উল্লেখ করে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছেন।


কী বলছে নির্বাচনি হিসাব?

বুথফেরত জরিপের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, আইজেনকোটের বিরোধী জোট আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট বাঁধলে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পেতে পারে। এতে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করার পথ তৈরি হতে পারে।

টাইমস অব ইসরাইলের তথ্য অনুযায়ী, আইজেনকোটের বিরোধী জোট ও আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর মধ্যে জোট হলে আসনসংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৬৬টিতে।

তবে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বিশ্লেষক আহমেদ নাজ্জারের মতে, বিরোধী জোটের আরব দলগুলোর সঙ্গে একত্র হতে না চাওয়ার কারণ পুরোপুরি আদর্শগত।

তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ‘আইজেনকোট আরব দলগুলোর প্রতি আনুগত্যের পরীক্ষা চাপিয়ে দিয়েছেন এবং নির্বাচনি হিসাব-নিকাশে তাদের সমর্থন অপরিহার্য হয়ে উঠলেও সেই সমর্থনের ওপর নির্ভর করার বিষয়টি নাকচ করেছেন।’

আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট কতটা সম্ভব?

এ বিষয়ে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। আহমেদ নাজ্জারের মতে, আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন শুধু সম্ভবই নয়, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে আইজেনকোটের জন্য এটিই একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে।

প্যালথিঙ্ক ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের পরিচালক ওমর শাবান বলেন, রা’আমের নেতা মানসুর আব্বাস ইতোমধ্যে আইজেনকোট নির্বাচিত হলে তার সরকারে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন। তবে শর্ত হলো, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়গুলো আরব দলটির হাতে থাকবে।

শাবানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আব্বাস নির্বাচনে রা’আমের প্রার্থী তালিকায় ইহুদি আইনপ্রণেতা ইয়োয়াভ সেগালোভিটজকে দ্বিতীয় অবস্থানে রেখেছেন।

শাবান বলেন, এমন সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে ফিলিস্তিনি নাগরিক ও ইহুদি ইসরাইলিদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

এদিকে বুধবার জয়েন্ট লিস্টের নেতা ইউসেফ জাবারিন বলেছেন, নেতানিয়াহুর উগ্র ডানপন্থি জোটকে ক্ষমতা থেকে সরাতে দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত তার দল।

ইদিওথ আহরোনথ পত্রিকার বরাতে বলা হয়েছে, জাবারিন বলেন, ‘সরকার প্রতিটি আরব নাগরিকের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে।’

নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে মূল্যবোধ এগিয়ে নিতে তার দল সক্ষম হবে বলেও জানান তিনি।

জয়েন্ট লিস্টের আরেক নেতা আহমদ তিবিও বুধবার ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধী জোটের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তার দল। তবে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারে যোগ দেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

শাবানের মতে, এ ধরনের জোটের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ইসরাইলি সমাজের আরও উগ্র অংশ। তারা চায় না, আরব ভোটের সমর্থনে বা নির্ভরতায় ইসরাইলের সরকার গঠিত হোক।

নাজ্জার বলেন, আইজেনকোটকে সম্ভাব্য জোটসঙ্গীদেরও রাজি করাতে হবে। তাদের মধ্যে রয়েছেন টুগেদার জোটের নাফতালি বেনেট এবং ইসরাইল বেইতেনু পার্টির প্রধান আভিগদর লিবারম্যান।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে এ জোট গড়তে হলে আইজেনকোট ও তার সম্ভাব্য অংশীদারদের, বিশেষ করে বেনেট ও লিবারম্যানকে দীর্ঘদিনের জায়োনিস্ট ঐকমত্য থেকে সরে আসতে হবে। সেই ঐকমত্য অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি নাগরিকেরা ইসরাইলের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন, কিন্তু তাদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো দেশটির সরকার পরিচালনার বৈধ অংশীদার হতে পারবে না।’

হোনাইদা গানাম সম্ভাব্য চারটি পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন। এগুলো হলো—নতুন নির্বাচন, আরব দলগুলোর বাইরে থেকে সমর্থন নিয়ে বিরোধীদের সংখ্যালঘু সরকার গঠন, বিরোধী জোট থেকে নেতানিয়াহুর শিবিরে সদস্যদের যোগ দেওয়া অথবা জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন।

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনি হিসাব-নিকাশের বাইরে এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ফল হলো নেতানিয়াহুর শিবিরের দৃঢ়তা। তাদের অবস্থান গভীরভাবে প্রোথিত এবং ঐক্যবদ্ধ বলে প্রমাণিত হয়েছে।’


আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের শর্ত কী?

টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইজেনকোট বলেছেন, যেকোনো দলের সঙ্গে জোট গঠনের বিষয়টি তিনি বিবেচনা করবেন, যদি দলটি ইসরাইলকে ইহুদি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূল্যবোধ সমর্থন করে এবং সব ইসরাইলির জাতীয় সেবায় অংশগ্রহণের অঙ্গীকার করে।

তবে রা’আম দলটি এসব শর্ত পূরণ করে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি আইজেনকোট। দলটিতে ইহুদি আইনপ্রণেতা সেগালোভিটজ থাকলেও একই প্রশ্ন প্রযোজ্য বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

এর আগে কি ইহুদি ও আরব দল জোট করেছে?

হ্যাঁ, এর নজির রয়েছে। সর্বশেষ ২০২১ সালের নির্বাচনের পর রা’আম সরকার গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। ওই সময় নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের স্বল্পস্থায়ী সরকার গঠনে দলটির সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

আহমেদ নাজ্জার বলেন, ২০২১-২০২২ সালে রা’আম জোট সরকারে অংশ নিয়েছিল। এর আগেও আরব দলগুলো বাইরে থেকে সরকারকে সমর্থন দিয়েছে, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রবিনের আমলে।’

তার মতে, ‘তাই বাধাটি সাংবিধানিক বা বাস্তব কোনো সমস্যা নয়; বরং আদর্শগত।’

অন্য নেতারা কী বলেছেন?

মঙ্গলবার নেতানিয়াহু বলেছেন, সরকার গঠনের জন্য আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট করা হবে ‘লজ্জাজনক ও অসম্মানজনক’।

সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ইসরাইলকে বিপদের মুখে ফেলা এবং জায়োনিবাদবিরোধী আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল সরকার গঠন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

বর্তমানে তৃতীয় অবস্থানে থাকা নাফতালি বেনেটও আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। এখন তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সরকারে কেবল ‘জায়োনিস্ট’ দলগুলোকে রাখতে চান এবং আরব দলগুলোকে বাদ দিতে চান।

অন্যদিকে, আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের অংশ মধ্য-বামপন্থি ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়ার গোলান তার মিত্রদের আরব দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতায় অনীহা পরিত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘ইহুদি ও আরব ভোটের মধ্যে নেতানিয়াহুর বর্ণবাদী বিভাজন আমরা আর মেনে নিতে পারি না।’


আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটে অনীহা কেন?

নাজ্জারের মতে, আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করতে ইহুদিদের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোর অনীহা ইসরাইলের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ‘মৌলিকভাবে বর্ণবাদী কাঠামো’ প্রকাশ করে।

তিনি বলেন, ‘ইহুদি বিরোধী নেতারা নেতানিয়াহু ও উগ্র ডানপন্থিদের গণতন্ত্রের জন্য অস্তিত্বগত হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন। অথচ তাদের অনেকেই ফিলিস্তিনি নাগরিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা ভাগ করে নেওয়ার চেয়ে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় দেখতে বেশি আগ্রহী বলে মনে হয়।’

নাজ্জারের মতে, আপত্তি শুধু কোনো নির্দিষ্ট আরব দল বা তার কর্মসূচির বিরুদ্ধে নয়; বরং ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা প্রকৃত সরকারি ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন—এই ধারণার বিরুদ্ধেও।

তিনি বলেন, ‘একটি রাষ্ট্র নিজেকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে গণতান্ত্রিক বলতে পারে না, যখন তার এক-পঞ্চমাংশের বেশি নাগরিককে ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, অথচ তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মৌলিকভাবেই অবৈধ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।’

নাজ্জার আরও বলেন, ফিলিস্তিনি নাগরিকদের অংশগ্রহণ যখন বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্বার্থে কাজে লাগে, তখন তাদের ভোটার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে তাদের রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রত্যাখ্যান করা হয়।

তার ভাষায়, ‘এটি ইসরাইলের গণতন্ত্রের কোনো আকস্মিক ব্যর্থতা নয়; বরং ইহুদিদের রাজনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার জন্য গড়ে ওঠা ব্যবস্থার পরিণতি।’

তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহুকে সরানোর বিষয়ে আইজেনকোট সত্যিই আন্তরিক হলে তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি এই বর্ণবাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুত কি না, নাকি নেতানিয়াহু বছরের পর বছর যে বর্জনমূলক যুক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন, তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেন।’

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

নেতানিয়াহু ইতিহাসের ভুল দিকে, বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলমার্ট

নেতানিয়াহু ইতিহাসের ভুল দিকে, বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলমার্ট

ইসরাইলের নির্বাচন নিয়ে যা বললেন হিজবুল্লাহপ্রধান

ইসরাইলের নির্বাচন নিয়ে যা বললেন হিজবুল্লাহপ্রধান

আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোটের ফল চুরির অভিযোগ নেতানিয়াহুর

আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোটের ফল চুরির অভিযোগ নেতানিয়াহুর

ইসরাইলে ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, জমে উঠেছে ক্ষমতার লড়াই

ইসরাইলে ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, জমে উঠেছে ক্ষমতার লড়াই

সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবু ক্ষমতায় থাকার পথে নেতানিয়াহু

সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবু ক্ষমতায় থাকার পথে নেতানিয়াহু

ইসরাইলে নেতানিয়াহুর দাপট কমল, ক্ষমতার চাবি ফিলিস্তিনিদের হাতে

ইসরাইলে নেতানিয়াহুর দাপট কমল, ক্ষমতার চাবি ফিলিস্তিনিদের হাতে

আরও পড়ুন

নেতানিয়াহু ইতিহাসের ভুল দিকে, বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলমার্ট

নেতানিয়াহু ইতিহাসের ভুল দিকে, বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলমার্ট

ইসরাইলের নির্বাচন নিয়ে যা বললেন হিজবুল্লাহপ্রধান

ইসরাইলের নির্বাচন নিয়ে যা বললেন হিজবুল্লাহপ্রধান

আল জাজিরার এক্সপ্লেইনার ইসরাইলের নির্বাচনে ‘কিংমেকার’ হচ্ছে না আরব দলগুলো?

ইসরাইলের নির্বাচনে ‘কিংমেকার’ হচ্ছে না আরব দলগুলো?

আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোটের ফল চুরির অভিযোগ নেতানিয়াহুর

আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোটের ফল চুরির অভিযোগ নেতানিয়াহুর

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম