সরকারকে যে তথ্য দিল গোয়েন্দারা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ক্ষমতার পালাবদল ও রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও দখলদারি ও আধিপত্য বিস্তারে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ব্যবহারের পুরোনো কৌশল বদলায়নি। রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং পুরোনো আক্রোশ কাজে লাগিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে অপরাধের কলকাঠি নাড়ছে। গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি হামলায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নাম জড়ালেও এর গভীরে রয়েছে পুরোনো শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নানা ছক। এ কারণেই রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর আদলে বড় ধরনের কোনো অভিযান করা যায় কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকার। তবে বিষয়টি এখনো প্রাথমিকভাবে আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এটি চূড়ান্ত করার আগে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
পুলিশ সদর দপ্তরও বলছে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। অপরাধীদের কোনো ছাড় না দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, যারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং ইন্ধনদাতা-সবার বিরুদ্ধেই তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্তে যাদের নাম আসছে, তাদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে। অপরাধীদের ধরতে পোশাকধারী পুলিশ এবং গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যৌথভাবে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযান আরও জোরালো করা হবে। তিনি বলেন, নতুনভাবে যেসব অপরাধী মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে।
সাবেক আইজিপি নূরুল হুদা যুগান্তরকে বলেন, অপরাধমূলক ঘটনাগুলো কারা ঘটাচ্ছে, কেন ঘটাচ্ছে-এসব বিষয়ে এরই মধ্যে সুনির্দিষ্ট তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্রতিটি ঘটনা ধরে নেপথ্যের ব্যক্তিদের টান দিলে পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব। তিনি বলেন, পরাজিত শক্তি সব সময়ই সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করে। এ বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সরকারকে কঠোর হয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

