তাদের গোপন বৈঠকের তথ্য, বেশকিছু অডিও রেকর্ড গোয়েন্দাদের হাতে
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
একটি গোয়েন্দা সংস্থার সর্বশেষ রিপোর্টে দেশকে অস্থিতিশীল করার কাজে জড়িত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শতাধিক নেতার নাম উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। দেশজুড়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের নেপথ্য গডফাদাররা দেশের বাইরে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশের ভেতরেও রয়েছে তাদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের ভেতর সহিংসতা উসকে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসাবে চিত্রায়িত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে চক্রটি। দেশের ভেতর ও বাইরে অবস্থানরত ষড়যন্ত্রকারীরা যৌথভাবে নাশকতা পরিচালনা ও অর্থায়নে জড়িত। গোয়েন্দারা এ সংক্রান্ত বেশকিছু অডিও রেকর্ড, ডিজিটাল প্রমাণ ও গোপন বৈঠকের সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও গোয়েন্দাদের মতে, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ‘ন্যারেটিভ’ তৈরি করতে চাচ্ছে। তারা জনমনে এমন একটি বার্তা দেওয়ারও চেষ্টা করছে যে, রাজপথে সহিংসতা বা ঝটিকা মিছিল করে আগুন দেওয়ার কাজ তাদের নয়। সুসংগঠিত দল হিসাবে বিশাল জনসমর্থন রয়েছে তাদের এবং তারা আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথ দখল করতে পারে-এমনটিই জনমনে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। কিন্তু বাস্তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের চক্রান্তকারীরাই দেশব্যাপী চরম অস্থিতিশীলতা ও নাশকতা উসকে দিচ্ছে।
সূত্র জানায়, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল নিক্ষেপের জন্য মাঠপর্যায়ে অর্থ ও বিস্ফোরক সরবরাহকারীদের তালিকা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। মাঠপর্যায়ে যারা আগুন দিচ্ছে বা ককটেল ফাটাচ্ছে, তাদের বেশির ভাগই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, যারা অল্পকিছু টাকার বিনিময়ে এসব করছে। আসল চক্রান্তকারী ও পরিকল্পনাকারীরা রয়েছেন পর্দার আড়ালে। নেপথ্যের নির্দেশদাতা ও অর্থদাতাদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে বিভিন্ন বাহিনী। ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠ পর্যায়ে বিশেষ বার্তাও দেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বাসে আগুন বা ককটেল হামলার মতো নাশকতা রোধে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত গোয়েন্দা মোতায়েন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবেন।
