|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সম্প্রতি সারা দেশে কমপক্ষে ৪০ জন মানুষ বজ্রপাতে মারা গেছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিবছর মৃত্যুর সংখ্যাটা প্রায় তিন শতাধিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের সচেতনতাই ঠেকাতে পারে এরকম অকাল মৃত্যু। তবে মৃত্যুর সংখ্যাটা না কমে যেন প্রতিবছর বাড়ছেই।
বাংলাদেশে মার্চ থেকে মে, এই তিনমাস মূলত প্রাক-বর্ষার মৌসুম। বজ্রঝড়ের ৩৮ শতাংশ এ সময়েই হয়ে থাকে। সঙ্গে অতি মাত্রায় দেখা যায় বজ্রপাত। এই বজ্রপাত ঘটে বজ্রমেঘের কারণে। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন কোনটা বজ্রমেঘ? আর কখন ই বা নিরাপদে আশ্রয় যেতে হবে।
আকাশের দক্ষিণ-পূর্ব বা উত্তর-পশ্চিম কোণে যদি অস্বাভাবিক উঁচু মেঘ দেখা যায় এবং সেই মেঘ ক্রমশ উপরে উঠতে থাকে-সেটাই বজ্রমেঘ। একে বলা হয়, কিউমুলোনিম্বাস বা থান্ডার ক্লাউড। এ মেঘ ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার, কখনো ১৮ থেকে ২২ কিলোমিটার পর্যন্ত উপরে উঠতে পারে। এ মেঘ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আশ্রয় নিতে হবে নিরাপদ স্থানে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সচেতনতা ও সাবধানতাই বজ্রপাতে মৃত্যুর হার কমাতে পারে। বজ্রধ্বনি শোনামাত্রই নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে। বোঝার চেষ্টা করতে হবে কোনটি বজ্রমেঘ। প্রান্তিক পর্যায়ের চাষি, মৎস্যশিকারি থেকে খোলা জায়গায় কাজ করা মানুষকে এ সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিলেই বজ্রপাতে মৃত্যু শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব।

