Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

Advertisement

Icon

বাসস

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম

কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। ফাইল ছবি

Advertisement

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হলো দেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ ও নারী জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো মিলনায়তনে ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ: এনজিওর ভূমিকা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর গত তিন মাসে বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে কানেক্টিভিটির অভাব রয়েছে। আমরা এমন একটি হোলিস্টিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চাই যেখানে দক্ষতা ও কারিগরি যোগ্যতাই হবে শিক্ষার মূল ভিত্তি। সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই; বরং টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষার মাধ্যমে আমরা ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি কোলাবরেশন তৈরি করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, সার্টিফিকেট অর্জনের চেয়ে সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা ও ব্যবহারিক প্রয়োগ নিশ্চিত করাই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।

সরকারের তিন মাস পূর্তির কথা উল্লেখ করে মুখপাত্র বলেন, মানুষের বিশাল প্রত্যাশার বোঝা আমাদের কাঁধে। গত ১৮ বছর যা ছিল না, সেই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন আমরা ফিরিয়ে আনতে চাই।

তিনি বলেন, মানুষের যৌক্তিক সমালোচনা করার অধিকার থাকবে। আমরা আদর্শিক ভিন্নতাকে ধারণ করেই জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই।

প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন- কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি এবং কৃষি ঋণের মতো প্রতিশ্রুতিগুলো ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।  

বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরিতে এনজিওগুলোর অবদানের প্রশংসা করে মাহদী আমিন বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে এনজিওগুলোর ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। সরকার একা আইসোলেশনে কোনো পলিসি বাস্তবায়ন করতে চায় না। আমরা এনজিওগুলোকে ইমপ্লিমেন্টেশন পার্টনার হিসেবে শক্তিশালী করতে চাই। আপনাদের মতামত ও নলেজ সরকারের পলিসি ফ্যাসিলিটেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, এর জন্য দক্ষ জনবল প্রয়োজন। বিদেশেও বৃক্ষরোপণের জন্য দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা রয়েছে। তাই এনজিওগুলোর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে জনশক্তিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম