Logo
Logo
×
   

Advertisement

জাতীয়

জাতীয়করণ হওয়া কলেজের ৬৯০ শিক্ষককে সপ্তম গ্রেড দিতে নির্দেশ

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম

জাতীয়করণ হওয়া কলেজের ৬৯০ শিক্ষককে সপ্তম গ্রেড দিতে নির্দেশ

বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ রায় দেন। ফাইল ছবি

Advertisement

জাতীয়করণ হওয়া দেশের বিভিন্ন কলেজের ৬৯০ জন শিক্ষককে জাতীয়করণের আগে প্রাপ্ত সপ্তম গ্রেড (বেতন স্কেল) দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিন বছর আগে করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ-সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেওয়া হয়।

বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ রায় দেন।

রিট আবেদনকারীপক্ষ জানায়, জাতীয়করণ হওয়া দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬৯০ জন প্রভাষক সপ্তম গ্রেড ফিরে পেতে ২০২৩ সালে ওই রিট করেন। তাদের বিষয়বস্তু ছিল, জাতীয়করণের আগে তারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তম গ্রেড বেতন প্রাপ্ত প্রভাষক ছিলেন। তবে জাতীয়করণের পরে গ্রেড কমিয়ে তাদের নবম গ্রেড করা হয়। এতে চাকরির অধিকার পাশাপাশি সংবিধানে প্রদত্ত তাদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। আর রুল নিষ্পত্তি করে সোমবার (১০ আগস্ট) রায় দেওয়া হয়। 

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. আতিকুর রহমান ও মো. হারুনুর রশীদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জামালুর রহিম খান (মো. জে আর খান রবিন)।

এর আগে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ১১ জুলাই হাইকোর্ট ৪৫ জন প্রভাষকের পক্ষে একই ধরনের রায় দিয়েছিলেন বলে জানান রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী সিদ্দিক উল্লাহ। তিনি বলেন, ২০২৩ সালে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট ৬৯০ জন প্রভাষককে জাতীয়করণের আগে তাদের প্রাপ্ত সপ্তম গ্রেড প্রদান করতে নির্দেশ দিয়েছেন। রিটটি নিষ্পত্তি করে এই রায় দেওয়া হয়।

রিট আবেদনকারীদের এই আইনজীবী বলেন, জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকেরা যে বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন, হাইকোর্টের আজকের রায়ের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেলেন ও তাদের অধিকার ফেরত পেয়েছেন। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার পরে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম