ভারত থেকে আমদানিকৃত গুজরাটি ইলিশের বিশেষত্ব কী
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতের গুজরাট থেকে ইলিশ মাছ আসছে বাংলাদেশে। আবার যে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এই ইলিশ পাঠাচ্ছেন, তারাই এখন বাংলাদেশ থেকে পদ্মা-মেঘনার ইলিশ নেওয়ার অনুমতি চাইছেন। দুই দেশের বাজারে ভিন্ন ধরনের চাহিদার কারণে ইলিশ নিয়ে এমন দ্বিমুখী বাণিজ্য তৈরি হয়েছে।
ইলিশের বাণিজ্যে এবার দেখা মিলেছে এক ভিন্ন চিত্র। এতদিন বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়ে এলেও চলতি বছর উলটো ভারত থেকেই বাংলাদেশে ইলিশের চালান এসেছে।
গত দুই মাসে ভারতের গুজরাট থেকে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধারণা, আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে আসতে পারে। খবর টেলিগ্রাফের।
ভারতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে পাঠানো ইলিশের বেশিরভাগই গুজরাট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে ভারুচ বন্দর ব্যবহার করে এসব মাছ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার পাইকারি মাছের বাজারের মাধ্যমেও কিছু ইলিশ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়েছে।
হাওড়া পাইকারি মাছ আমদানিকারক সমিতির সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে সাধারণত বোয়াল, রুই, পারশে ও ট্যাংরাসহ বিভিন্ন মাছ যায়। তবে এ বছর ইলিশ রপ্তানির ঘটনা তাদের জন্য ব্যতিক্রম।
গুজরাটের ইলিশে তুলনামূলকভাবে ডিম বেশি থাকে এবং স্বাদ কিছুটা নোনতা। এ কারণে ভারতের স্থানীয় বাজারে এ মাছের চাহিদা খুব বেশি নয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের কিছু এলাকায় ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা থাকায় গুজরাটের ইলিশের জন্য এখানে নতুন বাজার তৈরি হয়েছে।
প্রতি বছর দুর্গাপূজা ও শারদীয় উৎসবের আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হয়। তবে চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ পাঠানো হবে কিনা, তা এখনো নিশ্চিত নয়। গত বছর উৎসবের আগে ভারতকে এক হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার।

