প্রাথমিকে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে ফল প্রকাশের দাবি
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩-এর তৃতীয় ধাপে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) সফটওয়্যারজনিত কারিগরি ত্রুটি সংশোধন করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে দ্রুত চূড়ান্ত ফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন চাকরিপ্রার্থী সরদার ইসমাইল, সোহাগ, স্বপন, ইমন, রেজোওয়ান প্রমুখ।
মানববন্ধনে প্রার্থীরা জানান, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩-এর তৃতীয় ধাপে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ৩৯ হাজার প্রার্থী ভাইভা সম্পন্ন করলেও ফলে বড় ধরনের অনিয়ম ও কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। ২০২৪ সালের ২৯ মার্চ প্রকাশিত প্রথম ফলে ‘মেঘনা ও সুরমা’ সেট বাদ দিয়ে শুধু ‘পদ্মা ও যমুনা’ সেটের ২৩ হাজার প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হয়। পরবর্তীতে ত্রুটি সংশোধন করে আরও ২৩ হাজার ১৯৯ জনকে উত্তীর্ণ দেখানো হলেও সার্বিক মূল্যায়নে চরম বৈষম্য তৈরি হয় এবং ৮৪ শতাংশ কোটার মাধ্যমে মাত্র ছয় হাজার ৫৩১ জনকে চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়।
এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ৩৯ হাজার প্রার্থীর মধ্য থেকে ১৫১ জন হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে মামলাটি নিষ্পত্তি করে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে পুনরায় ফল প্রকাশের নির্দেশ দেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা হয়নি। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিন দফা দাবি জানিয়ে তারা বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গত ৯ জুলাই ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নতুন করে ফল প্রকাশের যে রায় দিয়েছেন, সেই আদেশের কপি দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সব কারিগরি ত্রুটি সমাধান করে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নতুন করে ছয় হাজার ৫৩১ জন অথবা এর চেয়েও বেশি সংখ্যক প্রার্থীকে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিয়োগ দিতে হবে। এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ৯৩ শতাংশ মেধার রায়ের বাস্তবায়ন করার দাবি জানান তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল বিভাগের রায় বাস্তবায়ন করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তারা।
