রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় এফবিজেএর নিন্দা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ফ্রান্সভিত্তিক সাংবাদিক সংগঠন ফ্রান্স বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (এফবিজেএ)। ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের পাশাপাশি হামলায় জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (৫ অক্টোবর) এফবিজেএর জনসংযোগ সেলের প্রধান নিয়াজ মাহমুদ ও সদস্য মুমিন আনসারী এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার (৪ অক্টোবর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের বাইরে হামলার ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে চারজন ক্যাম্পাস সাংবাদিক। তারা হলেন—আগামীর সময়ের জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের নূর আহসান মৃধুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের আরিফুজ্জামান কোরবান এবং সমকালের মাইনুল ইসলাম রাজু।
এফবিজেএ জানায়, সংবাদ সংগ্রহ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। সংগঠনটির মতে, দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর হামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং জনগণের তথ্য জানার অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।
ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এফবিজেএ। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য ভিডিওসহ সংশ্লিষ্ট প্রমাণ সংরক্ষণ, হামলায় জড়িতদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বের প্রতিও সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এফবিজেএ বলেছে, অতীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে ঘিরে সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের যে অভিযোগ ও অভিজ্ঞতা রয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি যেন ছাত্রদলের ব্যানারে না ঘটে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। রাজনৈতিক পরিচয় কোনোভাবেই জবাবদিহি থেকে সুরক্ষা পাওয়ার মাধ্যম হতে পারে না বলেও উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনটি আরও বলেছে, জনস্বার্থে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে হামলা, হুমকি বা প্রতিশোধের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়।
এদিকে হামলার ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একই ঘটনায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
