চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশের ১৫ সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
বাংলাদেশ ও চীনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গ্রুপ ফটোসেশন
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে ইউনান একাডেমি অব গভর্ন্যান্সে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। আগামী ১৬ অক্টোবর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ হবে।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ইউনান প্রাদেশিক কমিটির পার্টি স্কুলের (ইউনান একাডেমি অব গভর্ন্যান্স) ব্যবস্থাপনায় এবং ইউনান প্রাদেশিক সরকারের বৈদেশিক বিষয়ক কার্যালয়ের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ১৫ জন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউনান প্রাদেশিক সরকারের বৈদেশিক বিষয়ক কার্যালয়ের উপ-মহাপরিচালক মা জুওশিন এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন- চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ইউনান প্রাদেশিক কমিটির পার্টি স্কুলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছি ইউয়ানলিং এবং কুনমিংয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শাহনাজ আখতার রানু।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে চীনের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন, আধুনিক কৃষি, প্রযুক্তি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনসেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইউনান প্রদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও উন্নয়ন অভিজ্ঞতা নিয়ে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি ইউনান বাইয়াও গ্রুপ, আধুনিক কৃষিশিল্প পার্ক, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, শিল্পপার্ক, পরিবেশবান্ধব নগর উন্নয়ন প্রকল্প, প্রবীণদের সেবাকেন্দ্র এবং চায়না মোবাইলের ইউনান ডেটা সেন্টার পরিদর্শনের আয়োজন রয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, গ্রামীণ উন্নয়ন, নগরায়ণ এবং শিল্প ও নগর উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ সম্পর্কে সরেজমিন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এসএএম মাহফুজুর রহমান; ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) সাতিয়া মুনতাহা; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ড. কেএম আলমগীর কবির ও সায়মা আক্তার; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আনিসুর রহমান; স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. জিয়াউর রহমান; প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার একান্ত সচিব মো. আরিফুজ্জামান; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারীর একান্ত সচিব প্রবীর কুমার রায়; প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবের একান্ত সচিব আবরার ফাইয়াজ; প্রধানমন্ত্রীর এডিসি সৈয়দ নাজমুল হোসেন; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রোগ্রামার নূরে আলম সিদ্দিকী; প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ মো. মোবাইদুল ইসলাম মুকুল; প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব মীর সোলাইমান এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার পামির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে বাংলাদেশ ও চীনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গ্রুপ ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়।
