তাহসিফের নিখোঁজ হওয়া রাতের বর্ণনা দিলেন সেই জুনিয়র বন্ধু
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ পিএম
তাহসিফ সাউরি। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নিখোঁজ হওয়ার দিন সন্ধ্যার পর বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরি যে জুনিয়র বন্ধুর সঙ্গে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন, তার খোঁজ মিলেছে। শাহরিয়ার দ্বীপ নামের সেই তরুণ জানান, গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তাহসিফ তার সঙ্গেই ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্বীপের নাম উঠে আসার পর তাহসিফের ফেসবুক প্রোফাইল ঘেঁটে শেষমেশ সেই তরুণের সন্ধান পাওয়া যায়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের পর সেদিন রাতের ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনা দেন তিনি।
দ্বীপ বলেন, আমার বাইক এবং উনার বাইক একই মডেলের। তো উনার বাইকটা অকেজো হয়ে পড়েছিল। যেহেতু আমার সেম মডেলের বাইক আছে এবং আমি আমার বাইক খুবই মেইনটেন্যান্স করে রাখি। আমি জানি যে কখন কী করতে হবে, ইঞ্জিন অয়েল কীভাবে কী চেঞ্জ করতে হবে। তো তাকে আমি ওর বাইকটা স্টার্ট নিতে সাহায্য করি এবং আমরা একসঙ্গে উত্তরার একটা ওয়ার্কশপে যাই। ওইখানে গিয়ে তার বাইকের ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ করে। আরও বেশ কিছু বিষয় ছিল সেগুলা কমপ্লিট করে আমরা আবার এপার্টমেন্ট প্রজেক্টে ফেরত আসি।
তিনি আরও বলেন, সেখান থেকে একটা রেস্টুরেন্ট আছে রাজি কমপ্লেক্সে, ওখানে যাই। আমরা দুইজন মিলে ডিনার করি। আমি বের হয়ে আমার বাসার দিকে চলে আসি, উনি আরেক দিকে চলে যান। আমি স্পেসিফিকভাবে জানি না আসলে উনি কোন কাজে কোন দিকে চলে গিয়েছিলেন।
আপনারা কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত একসঙ্গে ছিলেন; এমন প্রশ্নের জবাবে দ্বীপ বলেন, আমার সঙ্গে আসলে উনি অনেকক্ষণ ছিলেন। তবে বাইকের কাজে প্রায় এক-দেড় ঘণ্টার মতো ছিলাম।
তিনি আরও বলেন, তার সঙ্গে আমার... মোস্ট প্রোবাবলি সময় খেয়াল নেই, তবে তার সঙ্গে আমার দেখা রাত ৯টার দিকে। আর আমি যখন বাসার দিকে চলে আসি, তখন ১১:৩০টা থেকে ১২টার মতো বাজে। তিন ঘণ্টার মতো। তার মধ্যে দুই ঘণ্টাই আমরা ওয়ার্কশপে ছিলাম।
তাহসিফের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের বর্ণনা দিয়ে দ্বীপ বলেন, উনি আমার বয়সে সিনিয়র। আমার খুবই কাছের একজন বড় ভাই ছিলেন। এমনও হয়েছে, আমরা সপরিবারে তাদের বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছি।
