ব্যাটারিচালিত রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিমি, স্কুল-হাসপাতালের সামনে ১৫
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল স্থানে এসব যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি হতে হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগ জারি করা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এ এ বিধান রাখা হয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, ই-রিকশার কাঠামোগত নকশা ও প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এমন হতে হবে, যাতে এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। প্রতিটি ই-রিকশায় স্পিডোমিটার বা ওডোমিটার স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য অনুসরণ করতে হবে।
ই-রিকশায় চালক ছাড়া গাড়ির ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ দুই বা চারজন যাত্রী পরিবহন করা যাবে। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ছাড়া অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪০ ডেসিবেলের বেশি তীব্রতার হর্ন ব্যবহার করা যাবে না।
চালকদের সড়কের বাম লেন অনুসরণ করতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার, নিয়মবহির্ভূতভাবে ওভারটেকিং এবং লেন পরিবর্তন করা যাবে না।
নতুন নিয়মে জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) করিডোর এবং প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া সড়কে ই-রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফুটপাতেও এসব যানবাহন চালানো যাবে না।
বিধিমালায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে ই-রিকশার রুট নির্ধারণ করবে। জোনভিত্তিক চলাচলব্যবস্থা চালু হলে এক জোনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য জোনে চলতে পারবে না।
