ডিসেম্বর সামনে রেখে একটি মহল দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ডিসেম্বর সামনে রেখে একটি মহল দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ ধরনের অপতৎপরতা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে। যে কোনো মূল্যে তৈরি পোশাক কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে
রোববার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা মনে করি, কোনো শ্রমিক ভাই এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নন। কোনো শ্রমিক সংগঠনও জ্বালাও-পোড়াওয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। মজুরি বোর্ড গঠন হয়েছে। এর মাধ্যমে তাদের মজুরি নির্ধারণ করা হবে। যেভাবে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা গার্মেন্ট মালিকদের অনুরোধ করব, তারা যেন উৎপাদন অব্যাহত রাখেন। কোনোভাবেই যেন রপ্তানির সংকট তৈরি না করেন। মালিকরা যেন শ্রমিকদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ চালিয়ে নেন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আজ হয়তো হঠাৎ করে মালিকরা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন। আগামী দিনে তাদের কারখানা বন্ধ রাখবেন না—এটিই আমরা আশা করি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মজুরি নির্ধারণ ও বৈঠক করবেন বোর্ডের চেয়ারম্যান। তবে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন, বোর্ড যেন শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি খেয়াল রাখে। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বলেছি, যারা বিশৃঙ্খলা করবে, তাদের কঠোর হাতে দমন করার জন্য।’
দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। এর আগে সকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন শ্রমমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকার আগেই সংবাদমাধ্যম, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার সময় মজুরি বোর্ড গঠনের কথা জানিয়েছিল। এরপরও শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন, যা জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
