দুই দফায় ইজতেমা আয়োজনের বিরুদ্ধে রিট
Advertisement
যুগান্তর রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০১৯, ০৩:১৪ পিএম
তাবলিগ।ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দুই দফায় দাওয়াতে তাবলিগের সর্ববৃহৎ জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের সার্কুলারকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ্ মো. নুরুল আমিন এ রিট আবেদন করেন। রিটে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ চারজনকে বিবাদী করা হয়।
এ বিষয়ে আইনজীবী নুরুল আমিন বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয় দুই দফায় বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের জন্য যে সার্কুলার জারি করেছে সেটি চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, তাবলিগ জামাতের ভেতর দুটি পক্ষের দ্বন্দ্ব চলছে বেশ কিছু দিন ধরে। এ দ্বন্দ্ব সংঘাতে রূপ নিচ্ছে। সংঘাত ও নির্বাচনের কারণে পূর্বনির্ধারিত সময়ে এবার অনুষ্ঠিত হয়নি বিশ্ব ইজতেমা।
প্রসঙ্গত, তাবলিগের চলমান সংকট নিরসন ও আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা সফলের লক্ষ্যে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চতর প্রতিনিধি দল ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ যাওয়ার কথা রয়েছে।
চূড়ান্ত তালিকায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নেতৃত্বাধীন সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা,ওলামায়ে কেরাম ও তাবলিগের উভয়পক্ষের মুরব্বিদের সমন্বয়ে প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, তাবলিগ জামাতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে অংশদারিত্বের বিষয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বীগণ। তাবলিগের বর্তমান আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভির নেতৃত্বের বিরোধিতা করে কয়েকজন মুরব্বী নিজামুদ্দীন মারকাজ ত্যাগ করলে বিভক্তি স্পষ্ট হয়।
বিশ্বের প্রতিটি দেশেই ছড়িয়ে পড়ে বিভক্তি। তাবলিগ জামাতের বাংলাদেশের প্রধানকেন্দ্র কাকরাইল মসজিদের দায়িত্বশীলদের মধ্যেও মতানৈক্য ছড়িয়ে পড়ে। ১১ জন শুরা সদস্যের মধ্যে ৬ জন নিজামুদ্দীন মারকাজ ও মাওলানা সাদের পক্ষে অবস্থান নিলেও বাকি ৫ জন তার বিরোধিতা করেন।
হেফাজতপন্থী আলেমগণ তাদের সঙ্গে যুক্ত হলে বাংলাদেশেও বিষয়টি নিয়ে উত্তাপ ছড়ায়। এ অংশের বাধায় তাবলিগের কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা সাদ ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে পারেননি।
২০১৯ সালের বিশ্ব ইজতেমা নিয়েও দেখা দিয়েছে নানা সংশয়। সংকট নিরসনে আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহর নেতৃত্বে উচ্চতর একটি প্রতিনিধিদল ভারতের দেওবন্দ সফরের কথা রয়েছে।
