Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

যেসব অভিযোগে ১১১০ দিন কারাগারে ছিলেন মামুনুল হক

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৪, ০২:৫০ পিএম

যেসব অভিযোগে ১১১০ দিন কারাগারে ছিলেন মামুনুল হক

Advertisement

হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আজ সকাল ১০টার দিকে গাজীপুরে হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এক হাজার একশ ১০ দিন আগে ২০২১ সালের ১৮ এপ্রিল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা জানান, মাওলানা মামুনুল হক কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৩৭টি মামলা রয়েছে। সর্বশেষ মামলায় তিনি বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। বিকালে জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। শুক্রবার সকালে জামিনের সব কাগজপত্র নিয়ে ঢাকায় যোগাযোগ করা হয়। সেখানে কাজ শেষ হলে তাকে আজ মুক্তি দেওয়া হয়।

গ্রেফতার হওয়ার পর একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, মামুনুল হকসহ হেফাজতে ইসলামের বেশকিছু নেতা জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার অর্থ ভাগবাটোয়ারা করে নিতেন। শুধু মোহাম্মদপুরের মাদ্রাসা নয়, যাত্রাবাড়ী, বারিধারা, লালবাগের বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা থেকে তারা অর্থ নিতেন। এসব মাদ্রাসার আয়-ব্যয়ের হিসাবে ব্যাপক গরমিল পাওয়া যায়। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য থেকে মাদ্রাসার নামে যেসব অনুদান এসেছে, সেগুলোর তারা ভাগবাটোয়ারা করে নিতেন।যদিও এসব তথ্য পুরোপুরি অস্বীকার করে আসছেন অভিযুক্তরা।

আরও পড়ুন: মামুনুল হক কারামুক্ত

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। খবর পেয়ে হেফাজতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা রিসোর্টে গিয়ে ভাঙচুর চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করেন মামুনুল হক। 

১৫ দিন পর ১৮ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা থেকে মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের মামলা করেন তার সঙ্গে রিসোর্টে অবরুদ্ধ হওয়া নারী। যদিও ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক। 

এরপর ওই মাসেই দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ অর্ধশতাধিক মামলা হয়। পরে সেসব মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। গ্রেফতারের পর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

Advertisement

মামুনুল হক কারাগার

Advertisement

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন গিয়াস উদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন গিয়াস উদ্দিন

দুই সংসদীয় কমিটির বৈঠক বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধে নজরদারির সুপারিশ

বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধে নজরদারির সুপারিশ

রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো

সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম