Logo
Logo
×

Advertisement

অপরাধ

সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দায়ের

Advertisement

Icon

যুগান্তর রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২০, ১১:০৮ পিএম

সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দায়ের

Advertisement

করোনার নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব।

বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করে। 

দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা যুগান্তরকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, সাতক্ষীরা র‌্যাব-৬-এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।  সাহেদ ছাড়াও এই মামলায় বাচ্চু মাঝি নামের একজন ও অজ্ঞান্ত আরও দুইজনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদীর তীর সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।  এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সাহেদকে গ্রেফতারের বেশকিছু ছবি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরমধ্যে একটি ছবিতে দেখা যায়, সাহেদের কোমরে একটি পিস্তল বাঁধা। 

কোমরপুর সীমান্ত দিয়ে নৌকায় করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় তিনি জিন্সের প্যান্ট ও নীল রঙের শার্টের ওপর কালো রঙের বোরকা পরে ছিলেন। সাহেদ গ্রেফতার এড়াতে গোঁফ কেটে ফেলেছিলেন, সাদা চুল কালো করেছিলেন।  গ্রেফতারের পর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে সাহেদকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর উত্তরায় তাকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান শেষে রিজেন্ট সাহেদের গ্রেফতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে র‌্যাব।  এ সময় সাহেদের বিরুদ্ধে প্রতারণার কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন এবং কীভাবে তাকে ধরা সম্ভব হল সেই বিস্তারিত তথ্য দেন র‌্যাবের ডিজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

প্রসঙ্গত, সরকারের সঙ্গে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে টাকার বিনিময়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের নমুনা সংগ্রহ করা এবং ভুয়া সনদ দেয়ার অভিযোগ ৬ জুলাই র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়।

অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। পরে রোগীদের সরিয়ে রিজেন্টের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয়া হয়।

পরদিন উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে মো. সাহেদকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে। সে মামলায় ৯ দিন পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হলেন মো. সাহেদ।

ওই মামলায় সাহেদকে থানার মাধ্যমে সেই সময় প্রধান আসামিসহ ৯ জন আসামিকে পলাতক দেখিয়ে এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

আসামিরা হলেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজ, রিজেন্ট হাসপাতালের কর্মী তরিকুল ইসলাম, আবদুর রশিদ খান জুয়েল, মো. শিমুল পারভেজ, দীপায়ন বসু, আইটি কর্মকর্তা মাহবুব, সৈকত, পলাশ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান হাবীব ১. হেলথ টেকনিশিয়ান আহসান হাবীব, ২. হেলথ টেকনোলজিস্ট হাতিম আলী, অভ্যর্থনাকারী কামরুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের প্রকল্প প্রশাসক মো. রাকিবুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত বণিক, রিজেন্ট গ্রুপের গাড়িচালক আবদুস সালাম ও নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রশিদ খান।

এসব আসামির মধ্যে সাতজনকে ইতিমধ্যে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Advertisement

সাহেদ অস্ত্র মামলা

Advertisement

আরও পড়ুন

১৫ বছর চাকরি করে শত কোটি টাকার মালিক তিনি

১৫ বছর চাকরি করে শত কোটি টাকার মালিক তিনি

১০০ কোটি টাকার মালিক অবসরপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার নুরুল আমিনের বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল

১০০ কোটি টাকার মালিক অবসরপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার নুরুল আমিনের বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল

খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

ইশরাকের হানা দেওয়া সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ

ইশরাকের হানা দেওয়া সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম