দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা: এমপি গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০০ পিএম
সাতক্ষীরা চার আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সাতক্ষীরা চার আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম ইসলামের আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় প্রধান আসামি গাজী নজরুলের জামিন ফের নামঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১১ অক্টোবর) উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলবিরুনী মীর তার জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন। এদিন জামিন শুনানি কালে গাজী নজরুলকে হাজির করা হয়নি। তিনি কারাগারেই ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন গাজী নজরুলের পক্ষে তার আইনজীবী আসামি বয়স্ক অসুস্থ বিবেচনা জামিন আবেদন করেন।
অপরপক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন আদালতকে বলেন, ভিকটিম অতি অল্প বয়স্ক। তাকে মানসিক পীড়া দেওয়া হয়েছে। এটা জামিনের অযোগ্য। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।
এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে গাজী নজরুল ইসলাম, মাকছুদা ইসলাম ও নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন ও মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে ২২ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। আর নজরুল ইসলামকে চার দিন করে দুই দফায় আট দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এছাড়াও মাকছুদা বেগমকে জামিন দেওয়া হয়। এই মামলার তৃতীয় আসামি ভুক্তভোগীর মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেফতার করে এসআরবি-২। এরপর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। রিমান্ড শেষে তিনি কারাগারে আছেন।

