গয়েশ্বর-নিতাই রায়কে নিয়ে মির্জা ফখরুলের রসিকতা
jugantor
গয়েশ্বর-নিতাই রায়কে নিয়ে মির্জা ফখরুলের রসিকতা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৫:৪০:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীকে নিয়ে রসিকতা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভারতের নাগরিকত্ব আইনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘৪৮ সালে যখন দেশ ভাগ হয় তখন যে বিষয়গুলো ছিল, সে বিষয়গুলো আজকে ৭০ বছর পরে আবার সামনে নিয়ে আসা হলো। বলা হচ্ছে, অমুসলিমরা যেতে পারবে, আর মুসলিমদেরকে কোনো নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। বিভাজন-বৈষম্য দেখেন। আপনি ভিসা নিয়ে যাবেন ভারতে, ভিসা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে একদিন দেরি হলে আপনাকে দিতে হবে ২১ হাজার টাকা ফাইন (জরিমানা)। আর আমাদের দাদা গয়েশ্বর দাদা বা নিতাই দাদা-উনারা যদি যান, যদি একদিন দেরি করেন তাহলে জরিমানা ১০০ টাকা। সম্পূর্ণ সাম্প্রদায়িকতার বিষয়, যেটা আমরা চিন্তাও করতে পারি না যে, ভারতের মত গণতান্ত্রিক দেশে এ ধরনের রাজনীতি শুরু হবে এবং সাম্প্রদায়িক আইন তৈরি হবে। যা সম্পূর্ণভাবে বিভাজন তৈরি করছে।’

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রোববার রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এমন রসিকতা করেন বিএনপি মহাসচিব।

বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পীঠস্থান আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সবচেয়ে সুন্দর দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ। যেটা আমরা বারবার বলি। আর তারা (ভারতের মন্ত্রী) পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলছেন যে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন করা হয়, তার জন্য নাকি এ এনআরসি আইন তৈরি করেছেন। এ কথা বললে বলা হবে যে, আমরা ভারতবিরোধী। না, কখনো না, আমরা ভারত বিরোধী নই।’

স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সহযোগিতাকে স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভারত ১৯৭১ সালে আমাদেরকে সহযোগিতা করেছে। আমরা সবাই সেটা সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করি। কিন্তু আমাদের দেশ ছোট হতে পারে, কিন্তু একটা স্বাধীন দেশ তো, একটা সার্বভৌম দেশ তো, আমরা তো মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনেছি। সেখানে আজকে এভাবে আমার স্বার্থকে বিপন্ন করা হয়। আমাদের যে সরকার দায়িত্বে আছে, তারা যদি কোনো কিছু না দেখে, কোনো কিছু না বলে, তাহলে কি বলাটাও আমার অপরাধ?’

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ।

গয়েশ্বর-নিতাই রায়কে নিয়ে মির্জা ফখরুলের রসিকতা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীকে নিয়ে রসিকতা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভারতের নাগরিকত্ব আইনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘৪৮ সালে যখন দেশ ভাগ হয় তখন যে বিষয়গুলো ছিল, সে বিষয়গুলো আজকে ৭০ বছর পরে আবার সামনে নিয়ে আসা হলো। বলা হচ্ছে, অমুসলিমরা যেতে পারবে, আর মুসলিমদেরকে কোনো নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। বিভাজন-বৈষম্য দেখেন। আপনি ভিসা নিয়ে যাবেন ভারতে, ভিসা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে একদিন দেরি হলে আপনাকে দিতে হবে ২১ হাজার টাকা ফাইন (জরিমানা)। আর আমাদের দাদা গয়েশ্বর দাদা বা নিতাই দাদা-উনারা যদি যান, যদি একদিন দেরি করেন তাহলে জরিমানা ১০০ টাকা। সম্পূর্ণ সাম্প্রদায়িকতার বিষয়, যেটা আমরা চিন্তাও করতে পারি না যে, ভারতের মত গণতান্ত্রিক দেশে এ ধরনের রাজনীতি শুরু হবে এবং সাম্প্রদায়িক আইন তৈরি হবে। যা সম্পূর্ণভাবে বিভাজন তৈরি করছে।’

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রোববার রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এমন রসিকতা করেন বিএনপি মহাসচিব।

বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পীঠস্থান আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সবচেয়ে সুন্দর দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ। যেটা আমরা বারবার বলি। আর তারা (ভারতের মন্ত্রী) পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলছেন যে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন করা হয়, তার জন্য নাকি এ এনআরসি আইন তৈরি করেছেন। এ কথা বললে বলা হবে যে, আমরা ভারতবিরোধী। না, কখনো না, আমরা ভারত বিরোধী নই।’

স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সহযোগিতাকে স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভারত ১৯৭১ সালে আমাদেরকে সহযোগিতা করেছে। আমরা সবাই সেটা সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করি। কিন্তু আমাদের দেশ ছোট হতে পারে, কিন্তু একটা স্বাধীন দেশ তো, একটা সার্বভৌম দেশ তো, আমরা তো মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনেছি। সেখানে আজকে এভাবে আমার স্বার্থকে বিপন্ন করা হয়। আমাদের যে সরকার দায়িত্বে আছে, তারা যদি কোনো কিছু না দেখে, কোনো কিছু না বলে, তাহলে কি বলাটাও আমার অপরাধ?’

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ।

 
আরও খবর