|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইন্টার মিয়ামির হয়ে আরও একটি রেকর্ড নিজের করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে লিওনেল মেসির সামনে। তবে চলতি মৌসুমে সেই কীর্তি গড়া সম্ভব হচ্ছে না আর্জেন্টাইন তারকার। ক্লাবটির হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড ভাঙতে তাকে অপেক্ষা করতে হবে ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত।
ডিফেন্ডার নোয়াহ অ্যালেনকে শিকাগো ফায়ারে পাঠানোর বিষয়টি বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইন্টার মিয়ামি। ২০২৬ মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য ধারে গেলেও চুক্তিতে মৌসুম শেষে তাকে স্থায়ীভাবে দলে নেওয়ার বাধ্যতামূলক শর্ত রয়েছে। সেই শর্ত কার্যকর হলে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার পাবে মিয়ামি, যা ২০২৭ মৌসুমের দল গঠনে জেনারেল অ্যালোকেশন মানি হিসেবে কাজে লাগাতে পারবে ক্লাবটি।
২০২২ সালে মিয়ামির জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে ক্লাবটির বেশ কয়েকটি বড় সাফল্যের অংশ ছিলেন অ্যালেন। ২০২৩ সালের লিগস কাপ, ২০২৪ সালের সাপোর্টার্স শিল্ড এবং ২০২৫ সালের এমএলএস কাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মিয়ামির হয়ে ১৩৩ ম্যাচে মাঠে নেমে ৩ গোল ও ৭ অ্যাসিস্ট করেছেন এই ডিফেন্ডার। এর মধ্য দিয়ে ক্লাবটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি নিজের করে নেন তিনি।
মিয়ামি ছাড়ার সময় অ্যালেন বিশ্বসেরা মেসির সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতাকেও নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে গোল ও অ্যাসিস্টের দিক থেকে ইতোমধ্যেই মিয়ামির রেকর্ডবুকে সবার ওপরে মেসি। ক্লাবটির হয়ে তার গোলসংখ্যা ৯৮ এবং অ্যাসিস্ট ৫৪টি। তবে ম্যাচ খেলার সংখ্যায় তিনি রয়েছেন পঞ্চম স্থানে।
মেসির সামনে রয়েছেন রবার্ট টেলর ও সার্জিও বুসকেটস, দুজনেরই ১১৬ ম্যাচ; ড্রেক ক্যালেন্ডারের ১১৮ ম্যাচ এবং শীর্ষে থাকা অ্যালেনের ১৩৩ ম্যাচ। মজার বিষয় হলো, এই চার খেলোয়াড়ের কেউই বর্তমানে ইন্টার মিয়ামিতে নেই।
তবে ২০২৬ মৌসুমেই অ্যালেনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই মেসির। চলতি মৌসুমে ক্যাম্পিওনেস কাপ ও এমএলএসের নিয়মিত মৌসুম মিলিয়ে মিয়ামির সামনে রয়েছে আরও ১৩টি ম্যাচ। দলটি যদি প্লে-অফের ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারে, তাহলে সর্বোচ্চ আরও ছয়টি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে।
অর্থাৎ, সম্ভাব্য ১৯টি ম্যাচের সবকটিতে মেসি খেললেও চলতি মৌসুম শেষে তার মোট ম্যাচসংখ্যা হবে ১৩০। ফলে অ্যালেনের ১৩৩ ম্যাচের রেকর্ড থেকে তিনি তিন ম্যাচ পিছিয়েই থাকবেন।
তাই ইন্টার মিয়ামির হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড নিজের নামে করতে আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী মেসিকে অপেক্ষা করতে হবে ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত। ক্লাবটির ইতিহাসের আরও একটি অধ্যায়ে নিজের নাম লেখাতে এখন সেটিই হতে পারে তার পরবর্তী লক্ষ্য।

