Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

ফিক্সিং কাণ্ডে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২২ পিএম

ফিক্সিং কাণ্ডে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

সংগৃহীত প্রতীকী ছবি

Advertisement

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে আরও দুই কর্মকর্তার নাম এসেছে। অভিযোগের পর তাদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোড ফর পার্টিসিপ্যান্টসের একাধিক ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ ও মো. আমিন খানের বিরুদ্ধে।

আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ বিপিএলের ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক ছিলেন। অন্যদিকে মো. আমিন খান ১১তম আসরে দুর্বার রাজশাহী এবং ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম অফিসিয়াল (অপারেশন-ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিসিবি জানিয়েছে, তাদের ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতেই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। বিপিএলের ১১তম ও ১২তম আসরকে কেন্দ্র করে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, দুর্নীতিসংক্রান্ত তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে না জানানো, অ্যান্টি-করাপশন তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানোর মতো অভিযোগ রয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোডের ২.১.১, ২.৪.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অনৈতিকভাবে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতির প্রস্তাব সম্পর্কে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে অবহিত না করা এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ।

অন্যদিকে মো. আমিন খানের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, দুর্নীতিতে প্ররোচিত করা, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্তসংশ্লিষ্ট প্রমাণ নষ্ট করা বা তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী, দুই অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এর আগে বিপিএলের দুর্নীতির তদন্তে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা জানিয়েছিল বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন বিভাগ।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম