কোচের সঙ্গে দ্বন্দ্বে পর্তুগাল ক্যাম্প ছেড়ে গেলেন রোনালদো
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৩ এএম
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
উয়েফা নেশনস লিগে ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পর্তুগালের ক্যাম্প ছেড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এ নিয়ে তিনি মুখ খুলেছেন। তার কথায় বিদায়ের সুর পাওয়া গেছে। ক্যাম্প ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণও তিনি যথাসময়ে জানাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
পর্তুগাল অধিনায়ক নিজের অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। দলের ঘাঁটি ছাড়ার পর তিনি এটি প্রকাশ করেন। তখন তার ব্যক্তিগত বিমান মাদ্রিদে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
রোনালদো বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘জাতীয় দলের কোচের সংবাদ সম্মেলনের পর এবং পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে কথা বলার পর আমি জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘যথাসময়ে আমি সব পর্তুগিজকে সত্যিটা জানাব। কেন আমি সেই জাতীয় দল ছাড়তে গেলাম, যার জন্য আমি সব সময় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি।’
বিবৃতির শেষে পর্তুগাল অধিনায়ক লিখেছেন, ‘পর্তুগাল এবং আমার সব সতীর্থকে, কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই, শুভকামনা জানানোর এটাই সঠিক সময়।’
এর আগে রোনালদো টানা তৃতীয় দিন পর্তুগালের অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন। এতে দলের ভেতরের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। কোচ জর্জ জেসুস কোপেনহাগেনে ওই অনুশীলনে অধিনায়কের থাকার কথা বলেছিলেন। এর কয়েক মিনিট পরই রোনালদোর না থাকার খবর আসে।
পর্তুগিজ পত্রিকা আ বোলার খবর অনুযায়ী, বুধবার রোনালদো কোপেনহাগেনের পার্কেন স্টেডিয়াম ছেড়ে যান। তিনি পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের একটি গাড়িতে করে বের হন। তখন ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওঁ ছাড়া দলের বাকি সবাই মাঠে আসছিলেন।
ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক মিনিট পরই তিনি বের হয়ে যান। সেখানে জেসুস বলেছিলেন, ৪১ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার অনুশীলন করবেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, রোনালদো শুরুর একাদশে নাও থাকতে পারেন।
জেসুস বলেছিলেন, ‘গতকাল সে অনুশীলনে অস্বীকৃতি জানায়নি। ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওঁ চোটের কারণে অনুশীলন করেনি। জোয়াও ফেলিক্সের ক্লান্তি কমানোর চেষ্টা করছিলাম, তাই সে করেনি। ক্রিশ্চিয়ানো জিমে কাজ করেছে। আজ সে অনুশীলন করবে। এটি চতুর্থ দিন, তাই সে অনুশীলন করবে।’
একাদশে রোনালদোর ভূমিকা নিয়েও কোচ কথা বলেছেন। তিনি পরিষ্কার করেছেন, একাদশ ঠিক করার শেষ কথা তারই। তিনি বলেছেন, ‘আমি যা খুশি প্রতিশ্রুতি দিতে পারি। আমি কোচ। আমি তাকে বলেছি, সে ম্যাচটি শুরু করবে না। সে থাকবে বদলি বেঞ্চে। ৩০ মিনিটের জন্য দরকার হলে সে খেলবে। দরকার না হলে খেলবে না। কোনো খেলোয়াড় আমার মত বদলাতে পারবে না। সে পারবে না, ফুটবলের অন্য কেউও পারবে না। কোনো সভাপতিও না। এটা কখনো হবে না।’
