|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসিকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানোর জন্য যে প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হচ্ছে সেই ম্যাচে তিনি খেলতে চাননি।
কারণ প্রশ্ন উঠেছে এই ম্যাচটি কি সত্যিই তাকে সম্মান জানিয়ে বিদায় জানানোর জন্য, নাকি তার নাম ভাঙিয়ে ব্যবসা করার জন্য?
ইতালীয় সংবাদমাধ্যম ‘গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্টস’-এর মতে, বেনিনের বিপক্ষে এই বিদায়ী প্রীতি ম্যাচটি খেলতে শুরুতেই অনিচ্ছুক ছিলেন লিওনেল মেসি। তার মনে হয়েছিল, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) তার নাম ও ক্যারিয়ারকে কাজে লাগিয়ে শেষ মুহূর্তে কোটি কোটি টাকা আয় করে নেওয়ার ফন্দি আঁটছে।
গাজেত্তা তাদের প্রতিবেদনে দাবি করে, ‘মেসি নিজে এই সম্মাননা ম্যাচটির পক্ষে ছিলেন না। তার দৃষ্টিতে এটি ছিল এএফএ-র একটি বাণিজ্যিক সুযোগ, যেখানে তার নাম ব্যবহার করে তারা কয়েক মিলিয়ন ডলার পকেটে পুরতে চেয়েছিল।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আর্জেন্টিনা দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনিও এই বিদায়ী আয়োজনের ধরন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। পুরো আয়োজনটি যেভাবে দাঁড় করানো হচ্ছিল, তা নিয়ে তার মনেও প্রশ্ন ছিল।
বিতর্ক সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত মেসি খেলতে রাজি হন, তবে প্রীতি ম্যাচটি যেভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে তা নিয়ে সমালোচনা থামেনি।
এই আন্তর্জাতিক বিরতিতে ঘরের মাঠে বলিভিয়া, বুরকিনা ফাসো ও বেনিনের বিপক্ষে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল আর্জেন্টিনার। শেষ পর্যন্ত বেনিনকেই মেসির বিদায়ী ম্যাচের প্রতিপক্ষ বানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘মেসির বিদায়ী ম্যাচের ঐতিহাসিক ছবিতে থাকার সুযোগ পেয়েই সন্তুষ্ট বেনিন, তাই কোনো ম্যাচ ফি ছাড়াই তারা খেলতে রাজি হয়েছে।’
সাধারণত প্রীতি ম্যাচ খেলার জন্য বেনিনের ভালো অঙ্কের অর্থ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এএফএ একটি কলম্বিয়ান এজেন্সিকে এমন কোনো দল খুঁজে বের করার দায়িত্ব দিয়েছিল, যারা প্রীতি ম্যাচ খেলার জন্য কোনো টাকা দাবি করবে না।
ব্যবসায়িক এসব হিসাব-নিকাশের কারণে পরিবেশটা কিছুটা অন্যরকম হলেও, এস্তাদিও মনুমেন্তালে উপস্থিত হতে যাওয়া প্রায় ৮৫,০০০ দর্শকের জন্য এটি হতে যাচ্ছে অত্যন্ত আবেগঘন একটি রাত।
