বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতীয় যুবাদের আচরণে নাখোশ শচীন
jugantor
বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতীয় যুবাদের আচরণে নাখোশ শচীন

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৬:৩১:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে ভারতীয় যুবাদের অসদাচরণে বেজায় নাখোশ দেশটির সাবেক ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার। তার মতে, আগ্রাসন দেখানো উচিত, তবে সেটার জন্য খারাপ ভাষা প্রয়োগের দরকার নেই।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে শক্তিশালী ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপ জেতে বাংলাদেশ। তবে পচেফস্ট্রমে শুরু থেকেই ফাইনালি লড়াইয়ে ছিল চরম উত্তেজনান ঝাঁজ। প্রথম বল থেকেই দুদলের ক্রিকেটাররা স্লেজিং করেন।

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ডাগআউট ছেড়ে মাঠে ঢুকে পড়েন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন প্রিয়ম গার্গরা।

এ নিয়ে হতাশা গোপন করেননি ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন। তিনি বলেন, একজনকে শেখানোর চেষ্টা করাই যায়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সেই শিক্ষা কীভাবে নেবে, তা তার ওপরই নির্ভর করে। কঠিন মুহূর্তে দুঃসময়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ভুলে গেলে চলবে না, গোটা বিশ্ব তোমার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আগ্রাসী হওয়া উচিত। কিন্তু সেজন্য বাজে শব্দ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

নিজের সুদীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ারে কোনো দিন মাঠের ভেতরে দ্বন্দ্ব-ঝামেলায় জড়াতে দেখা যায়নি শচীনকে। হেনরি ওলাঙ্গা, মাইকেল ক্যাসপ্রোভিচরা তাকে নিয়মিত স্লেজিং করতেন। তবে ব্যাটেই তাদের জবাব দিতেন তিনি।

মাস্টার ব্লাস্টার বলেন, ব্যাট-বল করার সময় প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতেই পার। কিন্তু তা যেন কখনই কোনো দলের বিরুদ্ধে না যায়। ম্যাচ জিততে সবাই চায়। রজার ফেদেরার কি জিততে চায় না? সে কি আক্রমণাত্মক নয়? প্রতিটি পয়েন্ট জিততে মরিয়া থাকে ও। কোর্টের ভেতরে ওর শরীরী ভাষা উদাহরণ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।

বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতীয় যুবাদের আচরণে নাখোশ শচীন

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৪:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে ভারতীয় যুবাদের অসদাচরণে বেজায় নাখোশ দেশটির সাবেক ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার। তার মতে, আগ্রাসন দেখানো উচিত, তবে সেটার জন্য খারাপ ভাষা প্রয়োগের দরকার নেই।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে শক্তিশালী ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপ জেতে বাংলাদেশ। তবে পচেফস্ট্রমে শুরু থেকেই ফাইনালি লড়াইয়ে ছিল চরম উত্তেজনান ঝাঁজ। প্রথম বল থেকেই দুদলের ক্রিকেটাররা স্লেজিং করেন।

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ডাগআউট ছেড়ে মাঠে ঢুকে পড়েন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন প্রিয়ম গার্গরা।

এ নিয়ে হতাশা গোপন করেননি ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন। তিনি বলেন, একজনকে শেখানোর চেষ্টা করাই যায়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সেই শিক্ষা কীভাবে নেবে, তা তার ওপরই নির্ভর করে। কঠিন মুহূর্তে দুঃসময়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ভুলে গেলে চলবে না, গোটা বিশ্ব তোমার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আগ্রাসী হওয়া উচিত। কিন্তু সেজন্য বাজে শব্দ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

নিজের সুদীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ারে কোনো দিন মাঠের ভেতরে দ্বন্দ্ব-ঝামেলায় জড়াতে দেখা যায়নি শচীনকে। হেনরি ওলাঙ্গা, মাইকেল ক্যাসপ্রোভিচরা তাকে নিয়মিত স্লেজিং করতেন। তবে ব্যাটেই তাদের জবাব দিতেন তিনি।

মাস্টার ব্লাস্টার বলেন, ব্যাট-বল করার সময় প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতেই পার। কিন্তু তা যেন কখনই কোনো দলের বিরুদ্ধে না যায়। ম্যাচ জিততে সবাই চায়। রজার ফেদেরার কি জিততে চায় না? সে কি আক্রমণাত্মক নয়? প্রতিটি পয়েন্ট জিততে মরিয়া থাকে ও। কোর্টের ভেতরে ওর শরীরী ভাষা উদাহরণ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।

 

ঘটনাপ্রবাহ : যুব বিশ্বকাপ ২০২০

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০