Logo
Logo
×

Advertisement

টিপস

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৫ এএম

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়

Advertisement

ঘুম শুধু শরীরকে বিশ্রাম দেয় না, এটি আমাদের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু ব্যস্ত সময়সূচি, কাজের চাপ, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে থাকা এবং রাত জাগার অভ্যাসের কারণে মানসম্মত ঘুম পাওয়া এখন অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ঘুমের ঘাটতি কেবল ক্লান্তিই বাড়ায় না, এটি শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক অবস্থা এবং কর্মক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ঘুমের মান খারাপ হওয়ার লক্ষণ

১. সকালে বারবার মাথাব্যথা

যথেষ্ট ঘুম না হলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ও অক্সিজেনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে, যার ফলে ঘুম থেকে উঠেই মাথাব্যথা অনুভূত হয়।

২. মনোযোগ কমে যাওয়া ও স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া

ঘুম স্মৃতি সংরক্ষণ ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হঠাৎ করে ছোটখাটো বিষয় ভুলে যাওয়া ঘুমের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

৩. অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি

ঘুমের অভাবে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে বেশি মিষ্টি বা ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়।

৪. মেজাজের পরিবর্তন ও খিটখিটে ভাব

অপর্যাপ্ত ঘুম আবেগ নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলে। এতে সহজেই রাগ, অস্থিরতা বা উদ্বেগ দেখা দিতে পারে।

৫. ত্বকের জৌলুস নষ্ট হওয়া

ঘুম কম হলে ত্বক শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে এবং অকাল বলিরেখা দেখা দিতে পারে।

৬. চাপ মোকাবিলায় দুর্বলতা

ঘুমের ঘাটতি থাকলে ছোট সমস্যাও বড় মনে হয়। মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা কমে যায়।

৭. পর্যাপ্ত সময় ঘুমিয়েও ক্লান্ত লাগা

অনেকেই দীর্ঘ সময় বিছানায় থাকেন, তবু সতেজ বোধ করেন না। এর কারণ হতে পারে গভীর ঘুমের অভাব বা ঘুমের ধাপে সমস্যা।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস

ঘুমের ঘাটতি শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থাকে দুর্বল করে, ফলে সহজে সর্দি-কাশি বা সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

৯. হজমজনিত সমস্যা

কম ঘুম অন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে, যার কারণে গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ভালো ঘুমের জন্য কিছু পরামর্শ

  • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • ঘুমের কয়েক ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন ও ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • শোবার ঘর অন্ধকার, শান্ত ও আরামদায়ক রাখুন।
  • ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিন ব্যবহার কমিয়ে দিন।
  • ধ্যান, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা রিল্যাক্সেশন অনুশীলন করতে পারেন।
  • দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন, ভালো ঘুম শুধু আরাম নয়—এটি সুস্থ জীবনযাপনের মূল ভিত্তি। ছোট লক্ষণগুলো অবহেলা না করে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

সূত্র: এনডিটিভি  

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম