বিগ পিটার বাসভাড়া দেয় না
jugantor
ভিনদেশি রসিকতা
বিগ পিটার বাসভাড়া দেয় না

  আশরাফুল আলম পিনটু  

২১ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জন ডেভ একজন বাস চালক। টেক্সাসের মানুষ। সেখানেই বাস চালায়। প্রতিদিনের মতো সেদিনও বাস চালাচ্ছিল ডেভ। একটা স্টপেজে বাস থামাল সে। দেখল, অনেকের সঙ্গে লম্বা-চওড়া এক লোক উঠল বাসে। চোখে পড়ার মতোই চেহারা। বলিষ্ঠ গড়ন। পেশিবহুল শরীর। যেন একটা দানব। এর আগে তাকে কখনো দেখেনি ডেভ।

লোকটার দিকে ডেভ তাকিয়ে ছিল। দানবটাও তাকালো তার দিকে। গর্জন করার মতো বলল, ‘আমার নাম বিগ পিটার। এই শর্মা কখনও বাসভাড়া দেয় না।’

কলার ঝাঁকিয়ে একটা সিটে বসল বিগ পিটার।

কোনো কথা বলল না ডেভ। তর্কে জড়াতে চাইল না। ছোটখাটো পাতলা মানুষ সে। আসলে একটু ভয়ই পেলো।

দিন কয়েক এ রকমই চলল।

বাসে উঠেই দানব লোকটা ঘোষণা দেয়, ‘বিগ পিটার কখনও বাসভাড়া দেয় না।’ তারপর বসে পড়ে সিটে। নির্দিষ্ট বাসস্টপেজ এলে নেমে পড়ে। কিছু বলার সাহস হয় না ডেভের। কিন্তু এভাবে আর কত?

সপ্তাহ দুয়েক পর একটু রাগই হলো ডেভের। সব যাত্রীই ভাড়া দেয়। তাহলে বিগ পিটার দেবে না কেন? এর বিহিত করতেই হবে। কাজেই একটা জিমে গেল ডেভ। বডি বিল্ডিংয়ের কোর্স শুরু করল। সে আর বেশি দিন বিগ পিটারকে ভয় পেতে চায় না।

আট সপ্তাহ পর ডেভের পেশিগুলো বেশ শক্তপোক্ত হলো। মারামারির জন্য নিজেকে উপযুক্ত মনে হলো তার।

সেই বাসস্টপেজে আগের মতোই বিগ পিটার বাসে উঠল। আগের গলায় বলল, ‘বিগ পিটার কখনও ভাড়া দেয় না।’

এবার কিন্তু ডেভ তৈরিই ছিল। উঠে এসে সামান্য ঝুঁকল লোকটার দিকে। মারমুখী হয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বলল, ‘পেয়েছেনটা কী? রোজ রোজ একই কথা! ভাড়া দেবেন না কেন?’

নির্বিকার লোকটা জবাব দিল, ‘কারণ বিগ পিটারের কাছে বাসের ফ্রি পাস আছে!’

ভিনদেশি রসিকতা

বিগ পিটার বাসভাড়া দেয় না

 আশরাফুল আলম পিনটু 
২১ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জন ডেভ একজন বাস চালক। টেক্সাসের মানুষ। সেখানেই বাস চালায়। প্রতিদিনের মতো সেদিনও বাস চালাচ্ছিল ডেভ। একটা স্টপেজে বাস থামাল সে। দেখল, অনেকের সঙ্গে লম্বা-চওড়া এক লোক উঠল বাসে। চোখে পড়ার মতোই চেহারা। বলিষ্ঠ গড়ন। পেশিবহুল শরীর। যেন একটা দানব। এর আগে তাকে কখনো দেখেনি ডেভ।

লোকটার দিকে ডেভ তাকিয়ে ছিল। দানবটাও তাকালো তার দিকে। গর্জন করার মতো বলল, ‘আমার নাম বিগ পিটার। এই শর্মা কখনও বাসভাড়া দেয় না।’

কলার ঝাঁকিয়ে একটা সিটে বসল বিগ পিটার।

কোনো কথা বলল না ডেভ। তর্কে জড়াতে চাইল না। ছোটখাটো পাতলা মানুষ সে। আসলে একটু ভয়ই পেলো।

দিন কয়েক এ রকমই চলল।

বাসে উঠেই দানব লোকটা ঘোষণা দেয়, ‘বিগ পিটার কখনও বাসভাড়া দেয় না।’ তারপর বসে পড়ে সিটে। নির্দিষ্ট বাসস্টপেজ এলে নেমে পড়ে। কিছু বলার সাহস হয় না ডেভের। কিন্তু এভাবে আর কত?

সপ্তাহ দুয়েক পর একটু রাগই হলো ডেভের। সব যাত্রীই ভাড়া দেয়। তাহলে বিগ পিটার দেবে না কেন? এর বিহিত করতেই হবে। কাজেই একটা জিমে গেল ডেভ। বডি বিল্ডিংয়ের কোর্স শুরু করল। সে আর বেশি দিন বিগ পিটারকে ভয় পেতে চায় না।

আট সপ্তাহ পর ডেভের পেশিগুলো বেশ শক্তপোক্ত হলো। মারামারির জন্য নিজেকে উপযুক্ত মনে হলো তার।

সেই বাসস্টপেজে আগের মতোই বিগ পিটার বাসে উঠল। আগের গলায় বলল, ‘বিগ পিটার কখনও ভাড়া দেয় না।’

এবার কিন্তু ডেভ তৈরিই ছিল। উঠে এসে সামান্য ঝুঁকল লোকটার দিকে। মারমুখী হয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বলল, ‘পেয়েছেনটা কী? রোজ রোজ একই কথা! ভাড়া দেবেন না কেন?’

নির্বিকার লোকটা জবাব দিল, ‘কারণ বিগ পিটারের কাছে বাসের ফ্রি পাস আছে!’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন