নগর সংস্কৃতি
মহিলা সমিতিতে মঞ্চস্থ লালনের ‘বারামখানা’
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৫, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
লালন সাঁইয়ের জীবনকে কেন্দ্র করে নাটকের দল থিয়েটার মঞ্চায়ন করল নাটক ‘বারামখানা’। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বেইলি রোডের মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে মঞ্চায়ন হয় নাটকটি। এটি থিয়েটারের ৪১তম প্রযোজনার ৪৩তম প্রদর্শনী। এ নাটকটিতে লালনের জীবন প্রবাহ ও আখড়া কেন্দ্রিক বিদ্যমান পরিস্থিতি উপস্থাপিত হয়েছে। বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন রামেন্দু মজুমদার, ফেরদৌসী মজুমদার, ত্রপা মজুমদার, এরশাদ হাসান, তানজুম আরা পল্লী, তামান্না ইসলাম, কাওসার রাজীব, আবদুল্লাহ আল মামুন জুয়েল, রাশেদুল আওয়াল শাওন, ইসমত আরা, রবিন বসাক প্রমুখ।
জলাবদ্ধ ঢাকার প্রতিচ্ছবির প্রদর্শনী ‘ট্রাবলিং রেইন’: আলোকচিত্রী আবির আবদুল্লাহ তার ক্যামেরায় জীবনের গল্প খুঁজে বেড়ান। রাজধানীবাসীর নিত্যদিনের নানা কার্যকলাপ ধরা পড়ে সেখানে। তুলে আনেন শহরের নানা ভোগান্তিও। এবার তিনি তার ক্যামেরায় তুলে আনলেন ঢাকার জলাবদ্ধতার নানা ছবি। সড়ক ডুবে গিয়ে গাড়ি চলাচলে অনুপযোগী হওয়া, ভোগান্তি, জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহনের স্টার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন ছবি আছে সেখানে। এসব ছবি নিয়ে ফরাসি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে চলছে ট্রাবলিং রেইন শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
প্রদর্শনীতে মনোমুগ্ধকর ভিজ্যুয়াল বর্ণনা উপস্থাপন করেছেন আবির আব্দুল্লাহ। সেই বয়ানে তুলে ধরেছেন ঢাকার বর্ষা ঋতুর প্রভাব। তার ছবিতে উঠে এসেছে বাদল দিনের দ্বৈত রূপ-যা কিনা বাংলা সাহিত্যে সৌন্দর্য ও রোমান্সের প্রতীক হিসাবে উদযাপিত, আবার একইসঙ্গে এই ঋতু হয়ে ওঠে জটিলতা ও দুর্ভোগের কারণ। দুই দশকের নিবেদিত সাধনার মাধ্যমে তিনি উন্মোচন করেছেন নগরবাসীর প্রতিদিনের জীবনে লুকিয়ে থাকা স্থিতিস্থাপকতার গল্প। জলমগ্ন রাস্তা, উলটে যাওয়া ছাতা কিংবা অবিরাম বৃষ্টিতে ভেঙে পড়া শহুরে অবকাঠামো-প্রতিটি ছবিই যেমন একান্ত মুহূর্তের দলিল, তেমনি এটি বিশ্বের অন্যতম জনবহুল মহানগরের মানুষের টিকে থাকার সংগ্রামের বৃহত্তর সাক্ষ্যও বটে। আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী। প্রতিদিন বিকাল তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আবির আব্দুল্লাহ বর্তমানে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার ফটোগ্রাফি ওয়ার্কশপ সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার আলোকচিত্র যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক পাঠের মাধ্যমে ও পরে পাঠশালায় ফটোজার্নালিজমে উচ্চতর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। তার দীর্ঘ কর্মজীবনে রয়েছে আন্তর্জাতিক কর্মশালা, প্রামাণ্য আলোকচিত্র প্রকল্প ও শিক্ষা কার্যক্রমে অসামান্য অবদান। তিনি মর্যাদাপূর্ণ মাদার জোন্স ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফি ও আলেক্সিয়া ফাউন্ডেশন প্রফেশনাল গ্রান্ট লাভ করেছেন। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, এশিয়া উইক ও টাইমসহ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রকাশনায় ছাপা হয়েছে তার ছবি। লন্ডন, আমস্টারডাম, সান ফ্রান্সিসকো, পেরপিনিয়া, কুইবেক ও শারজাহসহ বিশ্বের নানা শহরে তার কাজ প্রদর্শিত হয়েছে।
