Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ

মিলল দানের ১০৪৪ ভরি স্বর্ণ ও ১০৮৮ ভরি রুপা

Advertisement

Icon

কিশোরগঞ্জ ব্যুরো

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মিলল দানের ১০৪৪ ভরি স্বর্ণ ও ১০৮৮ ভরি রুপা

Advertisement

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রুপা এবং বিদেশি মুদ্রা দীর্ঘ ছয় বছর পর ওজন ও গণনা করা হয়েছে। এতে ১০৪৪ ভরি স্বর্ণ ও ১০৮৮ ভরি রুপার অলংকার পাওয়া গেছে। আর বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা মিলেছে। সোমবার সকাল পৌনে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ওজন এবং গণনার কার্যক্রম শুরু হয়। রাত সাড়ে ৮টার সময় বিদেশি মুদ্রা গণনার কাজ চলছিল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফ, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক রমজান আলীসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সোনা-রুপার পরিমাপ করা সম্ভব হয়। ওজন ও গণনার কাজে ১০ জন স্বর্ণকার এবং রূপালী ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ দানবাক্স থেকে পাওয়া সোনা-রূপা ওজন করে ৪১৫ ভরি ১ আনা সোনা ও ১৮৪ ভরি রুপা এবং গণনা করে এক কোটি ২৭ হাজার ৬৫১ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করা হয়।

মূলত প্রতি তিন মাস পরপর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলার রেওয়াজ রয়েছে। এ সময় দানবাক্স থেকে পাওয়া দেশি টাকা-পয়সা গুণে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। আর সোনা-রুপা এবং বৈদেশিক মুদ্রা-কয়েন সরকারি কোষাগারে রাখা হয়। ছয় বছর পরপর সরকারি কোষাগার থেকে সোনা-রুপা ও বিদেশি অর্থের পরিমাণ মাপা ও গণনা করা হয়।

কিশোরগঞ্জ শহরের নরসুন্দা নদীসংলগ্ন হারুয়া এলাকায় অবস্থিত ২০০ বছরের বেশি পুরোনো এ ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ। শহরের হয়বতনগর জমিদার বাড়ির পূর্বপুরুষ আধ্যাত্মিক সাধকপাগল হিসাবে পরিচিত জিলকদর খান একসময় নরসুন্দা নদীর মাঝপথে জেগে ওঠা উঁচু টিলাতে তার আস্তানা গড়ে তোলেন। তার মৃত্যুর পর মসজিদটি আস্তানি মসজিদ নামে পরিচিতি পায়। তারপর থেকেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের শেষ ঠাঁই হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছে এ মসজিদটি।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ’র বার্ষিক সভা শুরু জ্বালানি খাতে সহায়তা চায় বাংলাদেশ

জ্বালানি খাতে সহায়তা চায় বাংলাদেশ

মার্কিন গবেষক উইনস্টন ল্যাংলি নজরুলের দর্শন ভূরাজনৈতিক অবক্ষয় নিরাময়ে মহৌষধ

নজরুলের দর্শন ভূরাজনৈতিক অবক্ষয় নিরাময়ে মহৌষধ

বিআইডিএসের গবেষণা কিস্তি দিতে আয়ের ৪০ শতাংশের বেশি ব্যয়

কিস্তি দিতে আয়ের ৪০ শতাংশের বেশি ব্যয়

জিইডির প্রতিবেদন বিনিয়োগে গতি নেই রাজস্বেও টান

বিনিয়োগে গতি নেই রাজস্বেও টান

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম