Logo
Logo
×

Advertisement

খেলা

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই

একপেশে ফুটবল দ্বৈরথ চিরবৈরী দুই পড়শির

Icon

ইশতিয়াক সজীব

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

রাজনৈতিক বৈরিতার জেরে দুই পড়শি ভারত ও পাকিস্তান মাঠে মুখোমুখি হলেই যেন বেজে ওঠে যুদ্ধের দামামা। ক্রিকেট, হকি, অ্যাথলেটিক্স-যা-ই বলুন, ঝাঁজালো প্রতিদ্বন্দ্বিতার আঁচ পাওয়া যায় দুই পড়শির দ্বৈরথে। বিশ্বের জনপ্রিয় খেলাগুলোর মধ্যে শুধু ফুটবলেই তাদের লড়াইয়ের ইতিহাস ভীষণরকম নিরামিষ, একপেশে। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ সেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসরের। নামেই মহারণ। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের এই নিরামিষ দ্বৈরথ রোমাঞ্চ ছড়াবে, সেই আশা করাটা বাতুলতা। ফুটবলে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের সবশেষ জয়ের স্মৃতিতে জমেছে ২১ বছরের ধুলো। দুদলের ৭৩ বছরের স্বীকৃত লড়াইয়ের ইতিহাসে পাকিস্তানের জয় মাত্র দুটি!

অলিম্পিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫২ সালের ২৩ মার্চ কলম্বো কাপে প্রথম দেখা হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তানের। ফিফার স্বীকৃতি না পাওয়া সেই ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়। স্বীকৃত-অস্বীকৃত মিলিয়ে দুদলের আগের ২৯ ম্যাচে ভারতের ১৬ জয়ের বিপরীতে পাকিস্তানের জয় চারটি। বাকি নয় ম্যাচ ড্র হয়। এবার জেনে নেওয়া যাক স্বীকৃত লড়াইয়ের ইতিহাস।

ফিফার আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফুটবলে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের সূচনা ১৯৫৩ সালের কলম্বো কাপে। প্রথম দেখায় ভারত জিতেছিল ১-০ গোলে। ফিফা স্বীকৃত দুদলের ২৫ ম্যাচে ভারতের ১৬ জয়ের বিপরীতে পাকিস্তানের জয় মোটে দুটি। ড্র হয়েছে বাকি সাত ম্যাচ। ২৫ ম্যাচে ভারতের ৪২ গোলের বিপরীতে পাকিস্তানের গোল ১৮টি। সাফে নয় ম্যাচে ভারতের জয় সাতটি, পাকিস্তানের একটি। অপর ম্যাচ ড্র হয়।

সাফে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের একমাত্র জয় ২০০৩ সালে ঢাকায়। এছাড়া ২০০৫ সালে একটি প্রীতি ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছিল তারা। অর্জনেও দুদলের অবস্থান দুই মেরুতে। সাফে ভারত যেখানে রেকর্ড নয়বারের চ্যাম্পিয়ন, পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সাফল্য সেখানে ১৯৯৭ আসরে তৃতীয় হওয়া। ফিফা র‌্যাংকিংয়েও পাকিস্তানের (১৯৭) চেয়ে ঢের এগিয়ে ভারত (১৩৮)।

এবার গল্পটা বদলে দিয়ে ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছে পাকিস্তান। অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কোচ নওশাদ মুসার অধীনে সাফে এবার দ্বিতীয় সারির দল পাঠিয়েছে ভারত। এই সুযোগ কাজে লাগাতে চান পাকিস্তানের তারকা কোচ নোলবার্তো সোলানো। পেরুর এই সাবেক উইঙ্গার নিউক্যাসল ও অ্যাস্টন ভিলায় খেলেছেন দীর্ঘদিন। ডেনমার্কে জন্ম নেওয়া পাকিস্তান অধিনায়ক আবদুল্লাহ ইকবালেরও ইউরোপের লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে ইতিহাস বলছে, ঢাকায় ২০০৯ সাফে অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই একপেশে ফুটবল দ্বৈরথ চিরবৈরী দুই পড়শির

একপেশে ফুটবল দ্বৈরথ চিরবৈরী দুই পড়শির

নেতৃত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা

নেতৃত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা

সাফে আজ

সাফে আজ

সাফের সূচি

সাফের সূচি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম