দৃষ্টিপাত
সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হোক
Advertisement
ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
গত ১৬ অক্টোবর ছিল বিশ্ব খাদ্য দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি যথাযথভাবে উদযাপিত হয়েছে। বিশ্ব খাদ্য দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামী দিনের পুষ্টি’। এমন একসময় বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হলো, যখন বিশ্বব্যাপী ক্ষুধামান্দ্য জেঁকে বসেছে। বিশ্বব্যাপী বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিনিয়ত খাদ্যাভাবে ভুগছে। এ খাদ্যাভাবের জন্য উৎপাদন স্বল্পতা যতটা না দায়ী, তার চেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট নানা সমস্যা ও সংকট। যেমন : ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠেছিল। আফ্রিকার কোনো কোনো দেশে বাজার থেকে খাদ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ভোক্তারা সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই সময় রাশিয়া ও ইউক্রেনের খাদ্য উৎপাদন ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। ফলে বিভিন্ন দেশ তাদের উৎপাদিত খাদ্যপণ্য বাজারজাতকরণ ও রপ্তানি করতে পারছিল না। উল্লেখ্য, রাশিয়া ও ইউক্রেন মিলিতভাবে বিশ্বের মোট দানাদার খাদ্যের ৩০ শতাংশ উৎপাদন করে থাকে।
‘খাদ্য নিরাপত্তা’ এবং ‘নিরাপদ খাদ্য’ শব্দ দুটির আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা বলতে একটি দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যের নিশ্চিত জোগানকে বোঝায়। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫নং অনুচ্ছেদে খাদ্যপণ্যসহ মানুষের জীবনধারণের জন্য মৌলিক উপকরণ নিশ্চিতকরণকে রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ রাষ্ট্র তার প্রত্যেক নাগরিকের জন্য খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করতে সাংবিধানিকভাবে বাধ্য। আর নিরাপদ খাদ্য হচ্ছে, ভোক্তা যে খাবার গ্রহণ করছে তা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কি না, সেটা নিশ্চিত করা। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট খাদ্যপণ্য উৎপাদিত হয়েছিল ১ কোটি ১০ লাখ টন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৪১ লাখ টনে। অর্থাৎ ৫৩ বছরের ব্যবধানে দেশে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে চারগুণের বেশি। অন্যদিকে জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় আড়াইগুণ। এর অর্থ হচ্ছে, বাংলাদেশের কৃষক ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছে। ম্যালথাস তার জনসংখ্যা তত্ত্বে উল্লেখ করেছেন, খাদ্য উৎপাদন বাড়ে গাণিতিক হারে। অর্থাৎ ১, ২, ৩, ৪-এভাবে ক্রমান্বয়ে। আর জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় জ্যামিতিক হারে। অর্থাৎ ১, ২, ৪, ৮-এভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে।
বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে এত সাফল্য অর্জন করা সত্ত্বেও আমরা কি দাবি করতে পারি, সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে? অথবা আমরা যে খাবার গ্রহণ করছি, তা কি নিরাপদ? দেশের মানুষ খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে যতটা সচেতন, নিরাপদ খাদ্য নিয়ে ততটাই উদাসীন। অনেকেই মনে করেন, খাদ্য হলেই হয়, তা কতটা নিরাপদ সেটা বিবেচনার প্রয়োজন নেই। এ অসচেতনতার কারণে জাতি হিসাবে আমরা ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছি। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) তথ্য মোতাবেক, বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে চরম খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৮১ লাখে উন্নীত হতে পারে। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় থাকা মানুষের সংখ্যা বেড়েছে ২৮ লাখ। খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির জন্য বেশকিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-প্রায় ৫ বছর ধরে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে বিরাজমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, বন্যায় কৃষির ক্ষতি। মূলত এসব কারণেই খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির সুযোগ কমে যাওয়ার কারণে নানা জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি পাঁচটি পরিবারের মধ্যে দুটিতে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় পুষ্টিহীনতা বিরাজ করছে। পুষ্টিহীনতার কারণে খর্বাকার শিশু জন্মের হার বাড়ছে। যেসব শিশু জন্ম নিচ্ছে, তাদের মধ্যে ১১ শতাংশ খর্বাকার।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উল্লিখিত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ৮০ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ২ লাখ ৩০ হাজার কৃষক পরিবার এবং ১৩ লাখ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে খাদ্য উৎপাদন ও জীবিকা ব্যাহত হয়েছে। দেশে বর্তমানে যে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে, তার পেছনে মূলত দায়ী উচ্চ মূল্যস্ফীতি। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১৪ শতাংশ। এটি ছিল বিগত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মতে, গত সেপ্টেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৭ দশমিক ২২ শতাংশ। এতে আশান্বিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে এলেও এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষের মজুরি বা আয় বাড়ছে না। আয় বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির তুলনায় কম হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। আগামী দিনে খুব শিগ্গিরই খাদ্য নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আগামী দিনে আরও সংকটময় পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড (আইএমএফ) সম্প্রতি দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর অর্থনীতির ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, আগামী বছরগুলোয় দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর জিডিপি প্রবৃদ্ধি হ্রাসের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির হার বাড়বে। ফলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়বে। এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থা বেশি খারাপ হতে পারে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজনীতির পরিবর্তিত বাস্তবতায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নেমে যেতে পারে। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আরও কিছুটা কমে ২ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসতে পারে। ২০২৮-২৯, ২০২৯-৩০ এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতে পারে যথাক্রমে ২ দশমিক ৮ শতাংশ, ২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৯ শতাংশ। মূলত ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বন্ধ্যত্বের কারণেই প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হয়ে যেতে পারে। গত অর্থবছরে (২০২৫-২৬) ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগের হার ছিল জিডিপির ২২ দশমিক ৩ শতাংশ। এটি বিগত ৩৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যক্তি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। বিগত দুই দশকের মধ্যে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগের হার এটাই সর্বনিম্ন। ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ প্রত্যাশিত মাত্রায় না হলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সংকুচিত হয় এবং দারিদ্র্যবিমোচন কর্মসূচি মন্থর হয়ে পড়ে।
আইএমএফ-এর উল্লিখিত প্রতিবেদনে সবচেয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত তথ্যের প্রক্ষেপণ নিয়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির হার ১০ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হারও ডাবল ডিজিট অতিক্রম করে যেতে পারে। গত এক বছরের ব্যবধানে বিদেশি গ্রিন ফিল্ড বিনিয়োগ কমেছে ১৫ শতাংশ, যদিও বিদেশি কোম্পানিগুলোর পুনঃবিনিয়োগ বেড়েছে। সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে (জিডিপি) এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে প্রতিবছর গড়ে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আহরণ করতে হবে অন্তত ১০ হাজার কোটি ডলার। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৮ থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। কিন্তু বিদ্যমান অবস্থায় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে বলেই মনে হচ্ছে। কারণ স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা যদি উচ্চমাত্রায় বিনিয়োগ না করে, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আমাদের দেশে নতুন করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধাগ্রস্ত থাকবেন। নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগের হার বাড়ছে না। রাষ্ট্রীয় খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে; কিন্তু রাষ্ট্রীয় খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির অর্থ হচ্ছে অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ।
আগামী দিনে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করলে নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের ভোক্তা শ্রেণি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ তাদের আয় বাড়বে না, কিন্তু বাজারে গিয়ে বেশি দামে পণ্য ক্রয় করতে হবে। খাদ্যপণ্যের অস্বাভাবিক উচ্চমূল্যের জন্য উৎপাদন স্বল্পতা যতটা না দায়ী, তার চেয়ে বেশি দায়ী সাপ্লাই চেইনের সমস্যা। কৃষক বা তৃণমূল পর্যায়ের একজন উৎপাদক সরাসরি ভোক্তার কাছে তার পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন না বলে তারা ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন; যারা তৃণমূল পর্যায়ের উৎপাদক, তাদের পণ্য সংরক্ষণ করার সুযোগ নেই বলে উৎপাদনের পর তাৎক্ষণিকভাবে পণ্য বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। মধ্যস্বত্বভোগীরা এ সুযোগ গ্রহণ করে। তারা তুলনামূলক কম মূল্যে পণ্য ক্রয় করে এনে তা ভোক্তাদের কাছে তিন-চারগুণ বেশি মূল্যে বিক্রি করেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীরা বিস্তর মুনাফা অর্জনের সুযোগ পেলেও তৃণমূল পর্যায়ের উৎপাদক ও ভোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হন। তৃণমূল পর্যায়ের উৎপাদকদের কাছ থেকে যদি পণ্য সরাসরি ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে এ সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান হতে পারে।
বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে, উৎপাদিত খাদ্যপণ্য ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে দরকষাকষির মাধ্যমে একটি পণ্যের মূল্য নির্ধারিত হয়। কিন্তু আমাদের দেশে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে ভোক্তা ও উৎপাদক পণ্যমূল্য নির্ধারণের ওপর তাদের অধিকার হারায়। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর নানা কারণেই বাজার মনিটরিংয়ের বিষয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারছে না।
অবস্থা এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে দেশের মানুষের জন্য খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তাই তৃণমূল পর্যায়ে উৎপাদিত খাদ্য কীভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের ছাড়া সরাসরি ভোক্তার কাছে পৌঁছানো যায়, তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। একই সঙ্গে খাদ্যের অপচয় রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। আগামী দিনে ‘সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য জোগান নিশ্চিত হোক’-এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমাদের সচেষ্ট থাকতে হবে।
ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী : প্রফেসর ইমেরিটাস; সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত
