Logo
Logo
×

Advertisement

দৃষ্টিপাত

জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা

Advertisement

Icon

কৃষিবিদ মো. মনোয়ারুল ইসলাম এনাম

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম

জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা

ফাইল ছবি

Advertisement

বাংলাদেশের রাজনীতিতে পতিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা জাতির জন্য নিঃসন্দেহে একটি অস্বস্তিকর ও বিতর্কিত ঘটনা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর থেকে বিদেশে অবস্থানরত শেখ হাসিনা সম্প্রতি দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। জুলাই গণআন্দোলনের সময় তার সরকারের ভূমিকা, আন্দোলন দমনে কঠোর অবস্থান এবং পরবর্তী সময়ে দেশত্যাগ সবকিছু মিলিয়ে তার এই ঘোষণাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকে বিরোধী মত দমন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহারের অভিযোগও তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত স্মৃতি এখনো মানুষের মনে তাজা। এখনো পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্যে জুলাই কেন্দ্রীক হত্যাযজ্ঞের কোন অনুশোচনা প্রকাশ পায়নি। তার দেশে ফেরার ঘোষণা নিছক একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নয়, বরং অতীতের ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিতে ফিরে যাওয়ার একটি উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টা। ফলে ডিসেম্বরের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় আইনি ও রাজনৈতিক পরীক্ষায় পরিণত হতে পারে। 

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সহিংসতার বিচারকে কেন্দ্র করে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়েছে। সরকারি যাচাইয়ে পরবর্তী সময়ে ৮৪৩ জনকে শহীদ এবং ১৪,৩৭০ জনকে আহত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। নিহতদের একটি বড় অংশ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মারা যায়। নিহতদের মধ্যে শিশুও ছিল। আহতদের একটি অংশ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, কয়েকশ মানুষ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। এই সংখ্যা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়। প্রতিটি সংখ্যা, একটি পরিবার। এই হতাহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শেখ হাসিনাসহ তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জবাবদিহির দাবি ওঠে। 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) একটি গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সারা দেশে মোট ১,৭৮৫টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে ৮৩৭টি ছিল হত্যা মামলা। শেখ হাসিনার নাম আসামি হিসেবে রয়েছে মোট ৬৬৩টি মামলায়, যার মধ্যে ৪৫৩টি হত্যা মামলা। সমন্বিত ও পরিকল্পিত দমন-পীড়নের শিকার এই মানুষগুলোর কথা মনে রাখলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অপশাসন নিয়ে কোন বিতর্ক থাকার অবকাশ নেই। এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট রাষ্ট্রীয় মদদে সংঘঠিত গণহত্যা। যে পরিবারটি তার সন্তান হারিয়েছে, যে তরুণটি একটি চোখ হারিয়ে জীবন কাটাচ্ছে, যে যুবক গুলিতে পঙ্গু হয়ে গেছে, তাদের কাছে ডিসেম্বরের প্রত্যাবর্তন নিছক রাজনৈতিক ঘোষণা নয়। তাদের কাছে এটি একটি প্রশ্নের পুনরুত্থান, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের কি সত্যিই জবাবদিহির মুখোমুখি করা যাবে? এখানেই ডিসেম্বরের ঘোষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক। শেখ হাসিনা যদি সত্যিই দেশে ফেরেন, তার ক্ষেত্রে সাধারণ রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের সুযোগ থাকবে না; তাকে বিদ্যমান বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। এক্ষেত্রে জুলাইয়ের হতাহতদের পরিবারগুলোর ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা বিচারপ্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ও সামাজিক মাত্রা। 

শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে মানবাধিকার পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছিল। 

এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশনের হিসাবে, ২০০৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ৬২৩ ব্যক্তি গুমের শিকার হন। তাদের মধ্যে ৮৪ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে; ৩৮৩ জন জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছেন, অথবা পরবর্তী সময়ে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একই হিসাবে ১৫৩ জন এখনো নিখোঁজ এবং তিনজনের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া মানবাধিকার সংস্থা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার শাসনামলে ২,৬১৭ জনের বেশি মানুষ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা কথিত ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় নিহত হয়েছে। এসব অভিযোগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় দায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা এবং প্রতিটি ঘটনার পৃথক তদন্ত ও বিচার গুরুত্বপূর্ণ। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও ছিল ব্যাপক সমালোচনা। ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়, যা পরে সাইবার নিরাপত্তা আইন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই কালো আইনে ৭,০০০-এর বেশি দমনপীড়নমূলক মামলা দায়ের করা হয়।  

শেখ হাসিনার শাসনামল নিয়ে আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দুর্নীতি ও অর্থপাচার। ২০২৪ সালের শেষ দিকে প্রকাশিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থনৈতিক শ্বেতপত্রে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। যুক্তরাজ্যের Financial Times-এর একটি তথ্যচিত্রে শেখ হাসিনার পুরো শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাংকিং খাতেও আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সময় খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২২,৪৮১ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালে প্রায় ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছায়। অর্থাৎ দীর্ঘ সময়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এস আলম গ্রুপসহ কয়েকটি বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিপুল অর্থ অনিয়মের মাধ্যমে নেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এসব অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ ও দায় নির্ধারণের জন্য আর্থিক তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। বড় অবকাঠামোগত প্রকল্প নিয়েও দুর্নীতি ও অতিরিক্ত ব্যয়ের ব্যাপক অনিয়ম রয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পদ্মা সেতু এবং বিদ্যুৎ খাতের কুইক রেন্টাল প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রূপপুর প্রকল্পকে ঘিরে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অভিযোগও আলোচনায় এসেছে।

২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত দীর্ঘ শাসনামলে নির্বাচন, বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিয়ে আওয়ামী লীগের ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে দমন-পীড়ন, গ্রেফতার, ভয়ভীতি এবং অসম নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টিতে দলটির বিপক্ষে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন শুধু ভোট গ্রহণের বিষয় নয়; এর সঙ্গে মতপ্রকাশ, সংগঠিত হওয়ার অধিকার, বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার পরিবর্তনের সুযোগও জড়িত। এই বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও ভবিষ্যৎ গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নকে জটিল করেছে। 

এই রাজনৈতিক ও মানবাধিকার প্রেক্ষাপটেই ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে। একই সময়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলতে থাকে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত ৪৫৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে অভিযোগ ও আদালতের সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। শেখ হাসিনা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনের ২১ ধারায় ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার রয়েছে এবং সাধারণভাবে রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। প্রধান প্রসিকিউটর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে বলেছেন, শেখ হাসিনা নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করায় তার আপিলের বিধিবদ্ধ সুযোগ শেষ হয়ে গেছে। বাস্তব পরিস্থিতিতে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তার সামনে প্রথম বাস্তবতা হবে আইনি প্রক্রিয়া। বিদ্যমান রায়, গ্রেফতার, কারাবাস এবং বিচারিক প্রতিকারের প্রশ্ন সামনে আসতে পারে।  সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, তিনি দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। সরকারের তথ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বিচার মোকাবিলা করলে সরকার তাকে স্বাগত জানাবে এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হবে।

এখানেই ডিসেম্বরের ঘোষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক। শেখ হাসিনা যদি সত্যিই দেশে ফেরেন, তার প্রত্যাবর্তনকে কেবল রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখার সুযোগ থাকবে না; বিদ্যমান আদালতের রায় ও আইনগত প্রক্রিয়াই তার অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেও তার অর্থ আওয়ামী লীগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজনৈতিকভাবে ফিরে আসবে, এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ। একজন ব্যক্তির দেশে ফেরা এবং একটি রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক অধিকার-দুটি পৃথক বিষয়। শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে সামনে থাকবে তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর আইনগত পরিণতি, ট্রাইব্যুনালের রায় এবং বিচারিক প্রতিকারের প্রশ্ন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সামনে থাকবে দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা, নিবন্ধনের অবস্থা এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আইনগত ও সাংগঠনিক প্রশ্ন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলের নির্বাচন, মানবাধিকার, অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত, দুর্নীতি ও জবাবদিহি নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর রাজনৈতিক মূল্যায়নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। একটি রাজনৈতিক দল ভবিষ্যতে কীভাবে জনগণের কাছে তার অতীত কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা দেবে এবং কী ধরনের সংস্কার বা জবাবদিহির প্রতিশ্রুতি দেবে- সেটিও তার ভবিষ্যৎ রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফিরলে ইতিহাসের একটি অধ্যায় আবার সামনে আসবে- এবার ক্ষমতার মঞ্চে নয়, জবাবদিহিতার প্রশ্নের সামনে।

লেখক: উপ-রেজিস্টার, প্রশাসন ও সংস্থাপন-২, শেকৃবি, ঢাকা। 

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ আরেক মামলায় গ্রেফতার

সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ আরেক মামলায় গ্রেফতার

মুগ্ধসহ ১১ হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন: ২৬ জনের বিচার শুরু

মুগ্ধসহ ১১ হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন: ২৬ জনের বিচার শুরু

ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে স্মরণ করা হলো ‘৩৬ জুলাই’

ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে স্মরণ করা হলো ‘৩৬ জুলাই’

‘অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, কিন্তু শেখ হাসিনা...’

‘অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, কিন্তু শেখ হাসিনা...’

হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

ট্রাকচালক হোসেন হত্যা হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১২ অক্টোবর

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১২ অক্টোবর

আরও পড়ুন

জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা

জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা

অপেক্ষার রাজনীতি: আমরা কি একটি অপেক্ষার সমাজে বাস করছি?

অপেক্ষার রাজনীতি: আমরা কি একটি অপেক্ষার সমাজে বাস করছি?

দিল্লির রাজপথে ঢাকার প্রতিধ্বনি: মোদির ভবিষ্যৎ কোন পথে?

দিল্লির রাজপথে ঢাকার প্রতিধ্বনি: মোদির ভবিষ্যৎ কোন পথে?

কিরিলের ল্যাপটপ চুরি বনাম আমাদের ভাবমূর্তি

কিরিলের ল্যাপটপ চুরি বনাম আমাদের ভাবমূর্তি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম